Ridge Bangla

দক্ষিণ এশিয়ার পাঁচ দেশের জন্য ৮২ হাজারের বেশি কাজের ভিসা দিল রোমানিয়া

দক্ষিণ এশিয়ার পাঁচ দেশের নাগরিকদের জন্য কাজের ভিসা প্রদান অব্যাহত রেখেছে ইউরোপের দেশ রোমানিয়া। ২০২৫ সালের জন্য বাংলাদেশ, ভারত, নেপাল, পাকিস্তান ও শ্রীলঙ্কার মোট ৮২ হাজার ১৮০ জন নাগরিককে কাজের অনুমতি দিয়েছে দেশটি। এর মধ্যে ৮ হাজার ৩১৯টি পারমিট পেয়ে দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোর মধ্যে তৃতীয় অবস্থানে রয়েছে বাংলাদেশ।

রোমানিয়া সরকারের জেনারেল ইন্সপেক্টরেট ফর ইমিগ্রেশন প্রবাসী অধিকারবিষয়ক সংবাদমাধ্যম ইনফোমাইগ্রেন্টসকে ই-মেইলের মাধ্যমে এই তথ্য নিশ্চিত করেছে।

প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোর মধ্যে সবচেয়ে বেশি কাজের অনুমতি পেয়েছেন নেপালের নাগরিকরা। দেশটির ৪৫ হাজার ৪৯৬ জনকে ওয়ার্ক পারমিট দেওয়া হয়েছে। দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছে শ্রীলঙ্কা, দেশটির ১৩ হাজার ৬৯৩ জন নাগরিক এই অনুমোদন পেয়েছেন।

এরপর রয়েছে বাংলাদেশ। আর চতুর্থ ও পঞ্চম অবস্থানে রয়েছে ভারত ও পাকিস্তান। ভারতের ৮ হাজার ৮২ জন এবং পাকিস্তানের ৬ হাজার ৫৯০ জন নাগরিক রোমানিয়ায় কাজের অনুমতি পেয়েছেন।

আইজিআই জানিয়েছে, এই পরিসংখ্যানে এমন কর্মীরাও অন্তর্ভুক্ত আছেন, যারা আগের বছর আবেদন করলেও চলতি বছর অনুমোদন পেয়েছেন।

কাজের অনুমতির পাশাপাশি রোমানিয়ায় বৈধভাবে বসবাসরত দক্ষিণ এশীয় অভিবাসীদের তথ্যও প্রকাশ করেছে সংস্থাটি। চলতি বছরের ৩০ এপ্রিল পর্যন্ত দেশটিতে বৈধ রেসিডেন্স পারমিট নিয়ে বসবাস করছেন ৮ হাজার ৬৩৫ জন বাংলাদেশি।

তাদের মধ্যে ৭ হাজার ৮৯৫ জন কর্মসংস্থানের উদ্দেশ্যে রোমানিয়ায় গেছেন। এ ছাড়া ৫০০ জন শিক্ষার্থী ভিসায়, ১৬৫ জন পারিবারিক পুনর্মিলন ভিসায় এবং ৬০ জন স্থায়ী বসবাসের অনুমতি নিয়ে দেশটিতে অবস্থান করছেন। আন্তর্জাতিক সুরক্ষা কর্মসূচির আওতায় অল্পসংখ্যক বাংলাদেশিও সেখানে রয়েছেন।

বৈধভাবে বসবাসের ক্ষেত্রেও দক্ষিণ এশিয়ার মধ্যে সবচেয়ে এগিয়ে নেপালের নাগরিকরা। বর্তমানে রোমানিয়ায় ৫৭ হাজার ৩৩০ জন নেপালি অবস্থান করছেন। এরপর রয়েছে শ্রীলঙ্কা ২৭ হাজার ৩৮০ জন, ভারত ১৪ হাজার ৬১০ জন এবং পাকিস্তান ৫ হাজার ২৬৫ জন।

পরিসংখ্যান অনুযায়ী, দক্ষিণ এশিয়ার নাগরিকদের রোমানিয়ায় যাওয়ার প্রধান কারণ কর্মসংস্থান। উচ্চশিক্ষা, পারিবারিক পুনর্মিলন ও স্থায়ী বসবাসের অনুমতি নিয়ে যাওয়ার হার তুলনামূলক কম।

রোমানিয়ার অভিবাসন, বিদেশি নাগরিকদের একীভূতকরণ ও আশ্রয়-সংক্রান্ত নীতি বাস্তবায়নের দায়িত্ব পালন করে আইজিআই। তবে দেশটির সীমান্ত নিয়ন্ত্রণের দায়িত্ব পালন করে রোমানিয়ান বর্ডার পুলিশ।

This post was viewed: 4

আরো পড়ুন