কক্সবাজারে ঈদের ছুটিতে ঘুরতে আসা পর্যটকেরা তীব্র লোডশেডিংয়ের কারণে চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন। দিনে গড়ে ৮ থেকে ১০ ঘণ্টা বিদ্যুৎবিহীন থাকায় অনেকেই নির্ধারিত সময়ের আগেই হোটেল ছেড়ে চলে যাচ্ছেন। পরিস্থিতি এমন পর্যায়ে পৌঁছেছে যে গত এক সপ্তাহে অন্তত ৩০ হাজার পর্যটক তাদের পূর্বনির্ধারিত হোটেল বুকিং বাতিল করেছেন বলে জানা গেছে।
কক্সবাজার বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ডের সূত্রে জানা যায়, ঈদুল আজহার দিন ভোরে শহরের কলাতলী সাবস্টেশনের একটি গুরুত্বপূর্ণ পাওয়ার ট্রান্সফর্মার বিকল হয়ে পড়ে। এরপর থেকেই জেলার প্রধান পর্যটন এলাকায় বিদ্যুৎ সরবরাহে বড় ধরনের বিঘ্ন ঘটে। এখনো ট্রান্সফর্মারটি মেরামত ও সচল করার কাজ চলমান রয়েছে। সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা আশা করছেন, আগামী সোমবারের মধ্যে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হতে পারে।
বিদ্যুৎ বিভ্রাটের কারণে হোটেল ও রিসোর্টগুলোকে বাধ্য হয়ে জেনারেটরের ওপর নির্ভর করতে হচ্ছে। এতে পরিচালন ব্যয় বহুগুণ বেড়ে গেছে। তবে অতিরিক্ত খরচ সত্ত্বেও পর্যটকদের কাঙ্ক্ষিত সেবা দেওয়া সম্ভব হচ্ছে না বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।
কক্সবাজার হোটেল-রিসোর্ট মালিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক মুকিম খান বলেন, “গত কয়েক দিন ধরে প্রতিদিন ৮ থেকে ১০ ঘণ্টা লোডশেডিং চলছে। এতে হোটেলগুলো জেনারেটরের ওপর নির্ভর করছে। কিন্তু অতিরিক্ত ব্যয় সত্ত্বেও পর্যটকদের সন্তোষজনক সেবা দেওয়া যাচ্ছে না। অনেকেই বাধ্য হয়ে বুকিং বাতিল করে ফিরে যাচ্ছেন।”