জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) মুখ্য সংগঠক ও জোটের প্রার্থী হাসনাত আব্দুল্লাহ বলেছেন, চাঁদাবাজদের ঘুম অলরেডি হারাম হয়ে গেছে। তারা কোনো উপায় না পেয়ে এখন ভোটারদের ভয়ভীতি দেখানো শুরু করেছে। তারা ফোনে মানুষদের হুমকি-ধামকি দিচ্ছে- কেন্দ্র দখল করবে, ভোট দিতে দেবে না, ভোটাধিকার কেড়ে নেবে। শহীদ ওসমান হাদি এই চাঁদাবাজ ও ভারতীয় আগ্রাসনের বিরুদ্ধেই যুদ্ধ ঘোষণা করেছিলেন। তারা তাকে বাঁচতে দেয়নি, আমরা শহীদ ওসমান হাদির রেখে যাওয়া কাজ বাস্তবায়ন করতে মাঠে নেমেছি।
শহীদ ওসমান হাদির রুহের মাগফেরাত কামনায় আজ দুপুরে কুমিল্লার দেবিদ্বার উপজেলার গুনাইঘর উত্তর ইউনিয়নের ধলাশ গ্রামে দোয়া অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।
হাসনাত আবদুল্লাহ বলেন, যারা গুন্ডা-হুন্ডার ভয়ভীতি দেখাচ্ছেন, আপনারা সাবধান হয়ে যান। গুন্ডা-হুন্ডার ভয়ভীতি দেখানোর রাজনীতি এখন আর নাই। মানুষ এখন সচেতন। তারা কোনো ঋণখেলাপিকে ক্ষমতায় দেখতে চায় না। যারা নির্বাচিত হওয়ার পর জনগণের হক মেরে খাবে, তাদের ভোট দিতে যাবে না। যারা বসে আছে নির্বাচিত হওয়ার পর জনগণের অর্থ লুটপাট করবে, গোমতীর মাটি লুট করবে, এই জনগণ এবার তাদের প্রত্যাখ্যান করবে।
তিনি আরও বলেন, আপনারা যদি সংস্কার চান, চাঁদাবাজ ও দুর্নীতিমুক্ত বাংলাদেশ চান, নিজের ভোট নিজে দিতে চান, ভারতীয় গুন্ডামি বন্ধ করতে চান, তাহলে গণভোটে আপনারা হ্যাঁ ভোট দেবেন। আপনার হ্যাঁ ভোটেই গড়ে উঠবে আগামীর বাংলাদেশ।
হাসনাত বলেন, আমরা কখনোই ওসমান হাদির মতো হতে পারব না। তিনি মুড়ি-বাতাসা নিয়ে তার নির্বাচনী প্রচারণা চালিয়েছেন। তিনি চেয়েছেন বাংলাদেশে যেন ইনসাফ প্রতিষ্ঠিত হয়, চাঁদাবাজি-দুর্নীতি বন্ধ হয়, মানুষ তার ন্যায্য অধিকার থেকে যেন বঞ্চিত না হয়। আজকে গ্রামে গ্রামে শহীদ হাদির জন্য দোয়া করছেন মা-বোনেরা ও বৃদ্ধ বাবারা। শহীদ ওসমান হাদি রাষ্ট্রে যে ইনসাফ প্রতিষ্ঠা করতে চেয়েছেন, সেই ইনসাফ প্রতিষ্ঠার দায়িত্ব আমরা নিলাম। আমরা শহীদ হাদীর হত্যার বিচার এই দেশেই নিশ্চিত করেই ঘরে ফিরে যাব।
উল্লেখ্য, এবার ১২ দলীয় জোটের প্রার্থী হিসেবে কুমিল্লা-৪ আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন হাসনাত আব্দুল্লাহ।