আর্জেন্টিনার মধ্যাঞ্চলীয় একটি শহরে ১৪ বছর বয়সী কিশোরী আগোস্তিনা ভেগার হত্যাকাণ্ড ঘিরে দেশজুড়ে ক্ষোভ ছড়িয়ে পড়েছে। এ ঘটনার পর নারীর প্রতি সহিংসতা বন্ধে সরকারের কার্যকর উদ্যোগের দাবিতে আন্দোলন আরও জোরালো হয়েছে।
তদন্তকারীদের প্রাথমিক তথ্য অনুযায়ী, গত ২৩ মে মায়ের জন্য উপহার নিতে পরিবারের পরিচিত এক ব্যক্তির বাড়িতে গিয়েছিল আগোস্তিনা। সেখানে তাকে যৌন নির্যাতনের পর ফাঁসিতে ঝুলিয়ে হত্যা করা হয়। ময়নাতদন্তের প্রাথমিক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, পরে রান্নাঘরের একটি ছুরি দিয়ে তার মরদেহ খণ্ডিত করা হয়।
নিখোঁজের এক সপ্তাহ পর গত শনিবার একটি ড্রেনেজ খাল থেকে আগোস্তিনার মরদেহ উদ্ধার করা হয়। হত্যাকাণ্ডের পর তার নিজ প্রদেশে আয়োজিত শোকসভা ও প্রতিবাদ কর্মসূচিতে বিক্ষোভকারীদের সঙ্গে পুলিশের সংঘর্ষের ঘটনাও ঘটে।
এ ঘটনার প্রতিবাদে বুধবার রাজধানীতে আয়োজিত আন্দোলনে অংশ নেন হাজারো মানুষ। এ সময় বিক্ষোভকারীরা সাম্প্রতিক বছরগুলোতে নিহত ও নিখোঁজ হওয়া নারীদের ছবি এবং নামসংবলিত পোস্টার বহন করেন। এসব পোস্টারের মধ্যে আগোস্তিনা ভেগার ছবিও ছিল।
আন্দোলনকারীরা নারীর প্রতি সহিংসতা বন্ধে আরও কঠোর ও কার্যকর সরকারি পদক্ষেপ নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন। তাদের অভিযোগ, নারীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে প্রয়োজনীয় উদ্যোগ নেওয়া হয়নি।
প্রতিবাদকারীরা বলছেন, আগোস্তিনা ভেগার হত্যাকাণ্ড আর্জেন্টিনায় লিঙ্গভিত্তিক সহিংসতা নিয়ে নতুন করে উদ্বেগ তৈরি করেছে। একই সঙ্গে এটি নারী অধিকার আন্দোলনকে আরও শক্তিশালী করেছে। ন্যায়বিচার নিশ্চিত ও নিরাপদ নগরী গড়ার দাবিতে আন্দোলন চালিয়ে যাওয়ার কথাও জানিয়েছেন তারা।