বলিউড তারকা শিল্পা শেঠির অর্থবিত্তের উৎস শুধু সিনেমা নয়—বরং অভিনব বিনিয়োগই তাঁকে কোটিপতি করেছে। তিনি ভারতের অন্যতম শীর্ষ আয়করদাতা হলেও তাঁর আয়ের বড় অংশ আসে ব্যবসা ও শেয়ারে বিনিয়োগ থেকে।
সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে শিল্পা জানান, আট বছর আগে একটি শিশুদের ত্বক পরিচর্যা পণ্যের স্টার্টআপ তাঁকে চায় ব্র্যান্ড অ্যাম্বাসেডর হিসেবে। কিন্তু ৩৫ কোটি টাকার মূল্যমানের ছোট কোম্পানিটি তাঁকে পারিশ্রমিক দিতে অপারগ ছিল। তখন শিল্পা নিজেই প্রস্তাব দেন, পারিশ্রমিকের বদলে তিনি কোম্পানির অংশীদার হতে চান।
২০১৮ সালে তিনি ৬.৭ কোটি টাকায় কোম্পানিটির ১৬ লাখ শেয়ার কিনে নেন। ২০২৩ সালের মধ্যে সেই শেয়ারের মূল্য দাঁড়ায় ৩৯ কোটি টাকা। ওই বছর শিল্পা ১৩.৯৩ লাখ শেয়ার বিক্রি করে প্রায় ৪৫ কোটি ১৩ লাখ টাকা লাভ করেন। ২০২৫ সালের ১৭ এপ্রিল পর্যন্ত তথ্য অনুযায়ী, তিনি এখনো কোম্পানিটির ২.৩ লাখ শেয়ারের মালিক, যার বাজারমূল্য প্রায় ৫ কোটি ৪২ লাখ টাকা।
শুধু বিনিয়োগই নয়, নিজের নীতিতেও অটল শিল্পা। তিনি বলেন, “আমি এমন কোনো পণ্যের মুখ হতে চাই না, যা আমার মূল্যবোধের সঙ্গে যায় না। তাই কখনো পানমসলা বা সফট ড্রিংকের বিজ্ঞাপন করিনি, ভবিষ্যতেও করব না।”
শিল্পা আরও বলেন, “অনেক সময় এমন লোভনীয় অফার আসে, যেগুলো না বলা কঠিন। কিন্তু নিজের সততার সঙ্গে কখনো আপস করি না।”
নিজের স্পষ্ট চিন্তাধারা, সৎ বিনিয়োগ ও সময়োপযোগী সিদ্ধান্তের মাধ্যমেই অভিনেত্রী থেকে একজন সফল নারী উদ্যোক্তায় পরিণত হয়েছেন শিল্পা শেঠি।