কুমিল্লার তিতাস উপজেলায় লতিফ ভূঁইয়া নামে এক যুবলীগ নেতাকে ধাওয়া করে গণপিটুনি দেওয়ার পর কুপিয়ে হত্যা করা হয়েছে। গতকাল সোমবার (১১ মে) রাতে উপজেলার মানিককান্দি গ্রামে ঘটনাটি ঘটে।
নিহত লতিফ ভূঁইয়া ভিটিকান্দি ইউনিয়ন যুবলীগের সহ-সভাপতি এবং একটি হত্যা মামলার আসামি ছিলেন।
পুলিশ জানায়, সোমবার রাতে তিনি স্থানীয় যুবলীগ নেতা জহিরুল ইসলামের জেঠাতো ভাই জাহাঙ্গীর আলম মোল্লাকে লক্ষ্য করে গুলি ছোড়েন। তবে গুলি লক্ষ্যভ্রষ্ট হলে স্থানীয়রা তাকে ধাওয়া করে আটক করেন। এ সময় বিক্ষুব্ধ জনতা গণপিটুনি ও ধারালো অস্ত্র দিয়ে আঘাত করলে তিনি গুরুতর আহত হন।
পরে পুলিশ তাকে উদ্ধার করে প্রথমে তিতাস উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে এবং পরে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়ার পথে রাত পৌনে ২টার দিকে তার মৃত্যু হয়।
তিতাস থানার ওসি মোহাম্মদ মনিরুল হক জানান, লতিফের কাছ থেকে একটি বিদেশি পিস্তল ও দুটি গুলি উদ্ধার করা হয়েছে। মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে রাখা হয়েছে।
উল্লেখ্য, ২০২২ সালের ডিসেম্বরে মৎস্য প্রকল্পে আধিপত্য বিস্তারের পাশাপাশি রাজনৈতিক দ্বন্দ্ব থেকে হওয়া বিরোধের জেরে যুবলীগ নেতা জহিরুল ইসলাম মোল্লা হত্যার শিকার হন। ওই মামলার অন্যতম প্রধান আসামি লতিফ ভূঁইয়া সম্প্রতি পাঁচ মাস কারাবাস শেষে জামিনে মুক্তি পেয়ে বেরিয়ে আসেন।