Ridge Bangla

বিটিসিএলে পদোন্নতি ইস্যুতে নতুন করে বিতর্ক

বাংলাদেশ টেলিকমিউনিকেশনস কোম্পানি লিমিটেডে (বিটিসিএল) পদোন্নতি ও বিশেষ সুবিধা প্রদানের বিষয়টি নিয়ে আবারও বিতর্ক সৃষ্টি হয়েছে। জ্যেষ্ঠতার গ্রেডেশন উপেক্ষা করে ১৭ জন কর্মকর্তাকে বিশেষ বিবেচনায় পদোন্নতি বা সুবিধা দেওয়ার চেষ্টা চলছে- এমন অভিযোগ উঠেছে সংস্থাটির ভেতর থেকেই। পর্ষদের পূর্ববর্তী সিদ্ধান্ত, প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারীর লিখিত নির্দেশনা এবং কর্মকর্তাদের আপত্তি সত্ত্বেও একটি প্রভাবশালী মহল এ উদ্যোগে সক্রিয় রয়েছে বলে দাবি করেছেন সংশ্লিষ্টরা।

সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, চলতি বছরের মে মাসে অনুষ্ঠিত বিটিসিএলের ২৩৪তম পর্ষদ সভায় ১৭ জন কর্মকর্তাকে বিশেষ বিবেচনায় পদোন্নতি দেওয়ার প্রস্তাব ওঠে। বিষয়টি প্রকাশ্যে আসার পর সংস্থার ভেতরে তীব্র প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি হলে পরবর্তী ২৩৫তম পর্ষদ সভায় সেই সিদ্ধান্ত বাতিল করা হয়। একই সঙ্গে ১৫ জুলাইয়ের মধ্যে পদোন্নতির তফসিল সংশোধন করে জ্যেষ্ঠতার গ্রেডেশন বজায় রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়। ওই সভায় প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী ফয়েজ তৈয়ব উপস্থিত ছিলেন এবং পরিস্থিতি নিরসনে লিখিত নির্দেশনাও দেন বলে সূত্র নিশ্চিত করেছে। তবে অভিযোগ রয়েছে, এসব নির্দেশনার পরও ড. মো. আনোয়ার হোসেন মাসুদ এবং বিটিসিএলের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. মামুনুর রশীদসহ একটি প্রভাবশালী গোষ্ঠী পুনরায় ওই ১৭ জন কর্মকর্তাকে বিশেষ সুবিধা দিতে তৎপর হয়ে উঠেছে।

সূত্রের দাবি, প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারীর দপ্তরে সংযুক্তিতে কর্মরত মো. আনোয়ার পারভেজ এই তৎপরতায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন এবং বিশেষ সহকারীর নাম ব্যবহার করে বিটিসিএলের ওপর প্রভাব বিস্তার করতেন। পরে বিষয়টি নজরে আসায় তাকে ওই দপ্তর থেকে প্রত্যাহার করে পুনরায় বিটিসিএলে ফেরত পাঠানো হয়। ড. মো. আনোয়ার হোসেন মাসুদের বিরুদ্ধে আত্মীয়স্বজনকে সুবিধা দেওয়ার অভিযোগও উঠেছে। অভিযোগ অনুযায়ী, তাঁর ভাগ্নি জামাই সাদিকুর রহমান মাবুদকে সুবিধা দিতে প্রভাব খাটানো হয়েছে। একই সঙ্গে একাধিক গুরুত্বপূর্ণ পদ ও প্রকল্পের দায়িত্ব একই ব্যক্তির হাতে কেন্দ্রীভূত থাকায় দ্বন্দ্ব সৃষ্টি হয়েছে বলেও মত দিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।

This post was viewed: 8

আরো পড়ুন