দেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলে মৃদু ভূমিকম্প অনুভূত হয়েছে। রিখটার স্কেলে ভূমিকম্পটির মাত্রা ছিল ৪ দশমিক ১। মঙ্গলবার (৩ ফেব্রুয়ারি) ভোর ৪টা ৩৬ মিনিটে এ কম্পন অনুভূত হয়। ভূমিকম্পের উৎপত্তিস্থল ছিল সাতক্ষীরার কলারোয়া এলাকায়। ভূ-পৃষ্ঠ থেকে এর গভীরতা ছিল প্রায় ১৫০ কিলোমিটার।
ভূমিকম্পের সময় সাতক্ষীরা, খুলনা, যশোরসহ আশপাশের বিভিন্ন এলাকায় মৃদু কম্পন অনুভূত হয়। ভোররাতের এই কম্পনে অনেক মানুষ ঘুম থেকে জেগে ওঠেন এবং আতঙ্কিত হয়ে ঘরের বাইরে বেরিয়ে আসেন বলে স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে। ইউরোপীয়-ভূমধ্যসাগরীয় ভূকম্প বিজ্ঞান কেন্দ্র (ইএমএসসি) এবং ভারতের ন্যাশনাল সেন্টার ফর সিসমোলজি (এনসিএস) জানিয়েছে, নির্ধারিত সময়েই ভূমিকম্পটি আঘাত হানে এবং এর মাত্রা মাঝারি ধরনের হওয়ায় বড় ধরনের ক্ষয়ক্ষতির আশঙ্কা কম ছিল।
এ ঘটনায় তাৎক্ষণিকভাবে কোনো হতাহত বা বড় ধরনের ক্ষয়ক্ষতির খবর পাওয়া যায়নি। প্রশাসন ও সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলো পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করছে বলে জানা গেছে। তবে ভূমিকম্পের পরপরই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিভিন্ন এলাকার মানুষ কম্পন অনুভব করার অভিজ্ঞতা শেয়ার করেন।
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ভূমিকম্পপ্রবণ অঞ্চলে সচেতনতা ও প্রস্তুতি থাকা জরুরি। হালকা মাত্রার ভূমিকম্প হলেও ভবিষ্যতে বড় ধরনের কম্পনের ঝুঁকি উড়িয়ে দেওয়া যায় না। এ জন্য ভবন নির্মাণে ভূমিকম্প-সহনশীল নকশা অনুসরণ এবং দুর্যোগকালীন করণীয় সম্পর্কে জনসচেতনতা বাড়ানোর ওপর গুরুত্বারোপ করেছেন তাঁরা।