চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের (চবি) ৫৬৫তম সিন্ডিকেট সভায় শিক্ষক, কর্মকর্তা ও কর্মচারী মিলিয়ে মোট ১৫৩ জনের নিয়োগ অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। একই সভায় নিয়োগে অনিয়ম ও শৃঙ্খলাভঙ্গের অভিযোগে এক প্রার্থীকে তিন বছরের জন্য নিয়োগ ও পদোন্নতি পরীক্ষায় অংশগ্রহণে নিষিদ্ধ করার সিদ্ধান্তও নেওয়া হয়।
শুক্রবার অনুষ্ঠিত সিন্ডিকেট সভা সূত্রে জানা যায়, কম্পিউটার সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং, ইইই, প্রাণিবিদ্যা, এইচআরএমসহ মোট নয়টি বিভাগে ৪৪ জন শিক্ষক নিয়োগের অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি তৃতীয় ও চতুর্থ শ্রেণির ১০০ জন কর্মচারী এবং ৯ জন কর্মকর্তা নিয়োগের সুপারিশ অনুমোদন করা হয়। নিয়োগপ্রাপ্ত কর্মকর্তাদের মধ্যে নেটওয়ার্ক টেকনিশিয়ান, কম্পিউটার অপারেটর ও অফিস সহকারীসহ বিভিন্ন পদ রয়েছে।
সিন্ডিকেটে অনুমোদিত নিয়োগের মধ্যে উপ-উপাচার্য (একাডেমিক) অধ্যাপক ড. শামিম উদ্দিন খানের মেয়ে মাহিরা শামিম ফিন্যান্স বিভাগে প্রভাষক হিসেবে এবং উপ-উপাচার্য (প্রশাসন) অধ্যাপক ড. কামাল উদ্দিন খানের ভাগনে সাঈদুল রহমান ক্রিমিনোলজি অ্যান্ড পুলিশ সায়েন্স বিভাগে প্রভাষক হিসেবে নিয়োগ পান। এছাড়া স্বজনপ্রীতির অভিযোগে আগে সাময়িকভাবে স্থগিত থাকা ল্যাবরেটরি স্কুলের কয়েকটি নিয়োগও অনুমোদন দেওয়া হয়। একই সভায় অতীতে বিতর্কিত মন্তব্যের কারণে বহিষ্কৃত এক কর্মকর্তার পদোন্নতিও অনুমোদিত হয়েছে।
অন্যদিকে, ওশানোগ্রাফি বিভাগের নিয়োগ পরীক্ষায় মোবাইল ফোন ব্যবহার করে উত্তর লেখার অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় সংশ্লিষ্ট এক প্রার্থীকে আগামী তিন বছরের জন্য বিশ্ববিদ্যালয়ের সব ধরনের নিয়োগ ও পদোন্নতি কার্যক্রম থেকে নিষিদ্ধ করা হয়েছে। এ বিষয়ে উপ-উপাচার্য (একাডেমিক) অধ্যাপক শামিম উদ্দিন খান বলেন, নিয়োগে অনিয়মের বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি অনুসরণ করছে এবং তদন্ত কমিটির সুপারিশের ভিত্তিতেই শাস্তিমূলক সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।