Ridge Bangla

যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা নিষেধাজ্ঞার কড়া সমালোচনা করলেন ইউরোপীয় নেতারা

যুক্তরাজ্যের দুই অনলাইন প্রচারকর্মীসহ পাঁচ ইউরোপীয় নাগরিকের ওপর যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা নিষেধাজ্ঞার কড়া সমালোচনা করেছেন ইউরোপীয় নেতারা। যুক্তরাজ্যের ক্ষমতাসীন লেবার পার্টির জ্যেষ্ঠ এমপি চি অনভুরাহ ট্রাম্প প্রশাসনের এই পদক্ষেপকে ‘বাকস্বাধীনতা ক্ষুণ্ন করার প্রচেষ্টা’ বলে অভিহিত করেছেন। চি অনভুরাহ বলেন, ‘কারও বক্তব্যের সঙ্গে একমত হতে না পেরে তাঁকে নিষিদ্ধ করা সেই বাকস্বাধীনতাকেই বাধাগ্রস্ত করে, যা রক্ষার দাবি করছে মার্কিন প্রশাসন।’

চি অনভুরাহ আরও বলেন, ডিজিটাল জগতে বিদ্বেষ ছড়িয়ে পড়ার কারণে অসংখ্য মানুষ ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। তাই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম নিয়ন্ত্রণে ইমরান আহমেদের মতো প্রচারকর্মীদের ভূমিকার প্রয়োজন রয়েছে।

প্রেসিডেন্ট এমানুয়েল মাখোঁ ভিসা না দেওয়ার এই ঘটনাকে ‘ভীতি প্রদর্শন’ হিসেবে বর্ণনা করেছেন। ইইউর পররাষ্ট্রনীতি–বিষয়ক প্রধান কাজা কালাস একে ‘অগ্রহণযোগ্য ও সার্বভৌমত্বের ওপর আঘাত’ বলে অভিহিত করেছেন।

গত মঙ্গলবার মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও ওই পাঁচ ইউরোপীয় নাগরিকের ওপর ভিসা নিষেধাজ্ঞার ঘোষণা দেন। তিনি বলেন, ওই ব্যক্তিরা মার্কিন প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানগুলোকে (যেমন এক্স, মেটা) চাপ দিয়ে মার্কিনদের দৃষ্টিভঙ্গি দমনে কাজ করছেন। ট্রাম্প সরকারের নীতি হলো, তারা নিজের দেশের মানুষের স্বার্থকে সবার ওপরে রাখবে। তাই অন্য দেশের কেউ এসে যদি মার্কিনদের মুখ বন্ধ করার চেষ্টা করেন, তবে সেটা কোনোভাবেই সহ্য করা হবে না।

যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা নিষেধাজ্ঞার মুখে পড়া ব্যক্তিরা হলেন ইমরান আহমেদ, ক্লেয়ার মেলফোর্ড, থিয়েরি ব্রেতোঁ, আনা-লেনা ফন হোডেনবার্গ ও জোসেফিন ব্যালন।

ট্রাম্প প্রশাসন এসব ব্যক্তিকে ‘উগ্রপন্থী অধিকারকর্মী’ হিসেবে আখ্যা দিয়ে যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশ নিষিদ্ধ করেছে।

This post was viewed: 29

আরো পড়ুন