Ridge Bangla

ট্রাইব্যুনাল এলাকায় টানা দ্বিতীয় দিন কঠোর নিরাপত্তা জোরদার

মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় ক্ষমতাচ্যুত সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামালের বিরুদ্ধে ঘোষিত মৃত্যুদণ্ডের পরপরই রাজধানীর ট্রাইব্যুনাল এলাকা দ্বিতীয় দিনের মতো কঠোর নিরাপত্তার চাদরে ঢাকা ছিল। মঙ্গলবার সকালে থেকেই ট্রাইব্যুনাল ও সুপ্রিম কোর্ট প্রাঙ্গণজুড়ে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর ব্যাপক মোতায়েন দেখা যায়।

পুলিশ, বিজিবি ও সেনাবাহিনীর সদস্যরা একত্রে নিরাপত্তা বেষ্টনী গড়ে তোলেন। দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তারা জানান, রায়–পরবর্তী পরিস্থিতি স্থিতিশীল রাখতে সারাদিন একই মাত্রায় নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হবে। সরেজমিনে দেখা গেছে, প্রতিটি প্রবেশপথে পুলিশ, সেনা ও বিজিবির বিশেষ টিম অবস্থান নিয়ে কঠোর তল্লাশি চালাচ্ছে। সাদা পোশাকে গোয়েন্দা সংস্থার সদস্যরাও নজরদারিতে ছিলেন। পথচারী, আইনজীবী ও সাংবাদিকদের পরিচয় যাচাই করেই ট্রাইব্যুনালে প্রবেশের অনুমতি দেওয়া হয়।

সুপ্রিম কোর্টের ভেতর–বাইরে নিরাপত্তা ব্যবস্থা আরও জোরদার করা হয়েছে। সাধারণ মানুষের চলাচল সীমিত রাখা হয়েছে যাতে কোনো অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতি সৃষ্টি না হয়। নিরাপত্তা বাহিনী জানিয়েছে, পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখা ও রায় ঘিরে উত্তেজনা এড়াতেই এ ব্যবস্থা।

এর আগে সোমবার বিচারপতি মো. গোলাম মর্তূজা মজুমদারের নেতৃত্বে তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেল শেখ হাসিনা ও কামালকে ফাঁসিতে ঝুলিয়ে মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের নির্দেশ দেন। প্যানেলের অন্য সদস্য ছিলেন বিচারপতি মো. শফিউল আলম মাহমুদ ও অবসরপ্রাপ্ত জেলা ও দায়রা জজ মোহিতুল হক এনাম চৌধুরী। একই রায়ে রাজসাক্ষী সাবেক আইজিপি চৌধুরী আবদুল্লাহ আল–মামুনকে পাঁচ বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হয়। মামলার দুটি অভিযোগে মোট ছয়টি ঘটনার জন্য শেখ হাসিনা ও কামালকে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি তাদের সব সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করে জুলাইয়ের ক্ষতিগ্রস্তদের মধ্যে বিতরণের নির্দেশও দেওয়া হয়।

This post was viewed: 36

আরো পড়ুন