বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান বৃহস্পতিবার (২৫ ডিসেম্বর) বিকেলে রাজধানীর পূর্বাচলের ৩০০ ফিট গণসংবর্ধনা মঞ্চে দেশের মানুষের প্রতি তাঁর পরিকল্পনা ও ভবিষ্যৎ দৃষ্টিভঙ্গি তুলে ধরেন। তিনি মহানবী (সা.)-এর ন্যায়পরায়ণতার আলোকে বাংলাদেশ পরিচালনার অঙ্গীকার করেন।
বক্তৃতার শুরুতে তিনি বলেন, “রাব্বুল আলামিনের অশেষ রহমতে আজ আমি আমার প্রিয় মাতৃভূমিতে ফিরে এসেছি। আমাদের এই মাতৃভূমি লাখো শহীদের রক্তের বিনিময়ে অর্জিত হয়েছে। ১৯৭৫ সালের সিপাহী বিপ্লব ও ১৯৯০ সালের গণঅভ্যুত্থানের মাধ্যমে দেশকে রক্ষা করা হয়েছিল।”
তারেক রহমান বলেন, “আজ আমরা প্রতিজ্ঞা করি, ভবিষ্যতে দেশ পরিচালনার দায়িত্বে যারা থাকবেন, তারা নবী করিম (সা.)-এর ন্যায়পরায়ণতার আলোকে কাজ করবেন।” তিনি আল্লাহর কাছে প্রার্থনা করে দেশ ও মানুষের কল্যাণ কামনা করেন।
তিনি আরও বলেন, “আই হ্যাভ আ প্ল্যান ফর দ্য পিপল অব মাই কান্ট্রি”, যা দেশের মানুষের স্বার্থ, উন্নয়ন ও ভাগ্য পরিবর্তনের জন্য প্রণীত। তিনি সব গণতান্ত্রিক মানুষকে ঐক্যবদ্ধ হয়ে এই পরিকল্পনা বাস্তবায়নে সহযোগিতা করার আহ্বান জানান।
বক্তৃতায় তারেক রহমান বলেন, “আমরা এমন একটি নিরাপদ বাংলাদেশ গড়তে চাই, যেখানে মানুষ নিরাপদে ঘর থেকে বের হয়ে আবার ফিরে আসতে পারবে। জনগণ তাদের অধিকার ও যোগ্যতা অনুযায়ী ন্যায্য মর্যাদা ফিরে পেতে চায়।”
এর আগে, লাল-সবুজ রঙের বিশেষ বাসে করে শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে গণসংবর্ধনাস্থলে পৌঁছান তারেক রহমান। মঞ্চে পৌঁছার পর তিনি বিএনপির নেতাকর্মীদের অভ্যর্থনা গ্রহণ করেন। মঞ্চে তাঁর সঙ্গে বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর উপস্থিত ছিলেন।