ভারতের বিরুদ্ধে ফের কঠোর ভাষায় আক্রমণ করেছে পাকিস্তানের সেনাবাহিনী। দেশটির আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তর (আইএসপিআর)-এর মহাপরিচালক লেফটেন্যান্ট জেনারেল আহমেদ শরিফ চৌধুরী ভারতকে ‘সবচেয়ে বড় সন্ত্রাসী’ হিসেবে আখ্যায়িত করে বলেন, “তাদের কথা কেউ শোনে না, কেউ বিশ্বাসও করে না।”
‘মারকা-ই-হক’-এর এক বছর পূর্তি উপলক্ষে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে তিনি এই মন্তব্য করেন। সেখানে পাকিস্তান নৌবাহিনী ও বিমানবাহিনীর শীর্ষ কর্মকর্তারাও উপস্থিত ছিলেন।
চৌধুরী দাবি করেন, ভারত পাকিস্তানকে আন্তর্জাতিকভাবে সন্ত্রাসবাদের সঙ্গে যুক্ত করার চেষ্টা করলেও তা ব্যর্থ হয়েছে। তার ভাষায়, “সবচেয়ে বড় সন্ত্রাসী তোমরাই।”
তিনি আরও বলেন, ২০২৪ সালের পেহেলগাম হামলা থেকে শুরু করে সাম্প্রতিক সামরিক উত্তেজনার ঘটনাগুলো নিয়ে পাকিস্তানের অবস্থান বিশ্ব এখন বুঝতে পারছে। ভারতীয় অভিযোগের বিপরীতে কোনো প্রমাণ নেই বলেও দাবি করেন তিনি।
সংবাদ সম্মেলনে তিনি ভারতের রাজনৈতিক ও সামরিক নেতৃত্বকে “রাজনীতিকরণ ও সামরিকীকরণের” অভিযোগে সমালোচনা করেন। তার মতে, ভারতীয় গণমাধ্যমও তথ্যযুদ্ধে ব্যর্থ হয়েছে।
কাশ্মীর প্রসঙ্গে তিনি বলেন, এটি একটি আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত বিরোধপূর্ণ অঞ্চল এবং সেখানে জনসংখ্যা পরিবর্তনের চেষ্টা অগ্রহণযোগ্য। তিনি আরও দাবি করেন, যুদ্ধ এখন কেবল সীমান্তে সীমাবদ্ধ নয়; বরং স্থল, আকাশ, সাইবার ও তথ্যযুদ্ধেও বিস্তৃত হয়েছে। পাকিস্তান এসব ক্ষেত্রেই প্রস্তুত রয়েছে বলে তিনি মন্তব্য করেন।
সন্ত্রাসবিরোধী অভিযানের প্রসঙ্গ টেনে তিনি বলেন, পাকিস্তান বহু হামলার মোকাবিলা করেছে এবং পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রয়েছে।
চৌধুরী আবারও ভারতের বিরুদ্ধে সন্ত্রাসে মদদ দেওয়ার অভিযোগ তোলেন এবং আফগানিস্তানকে ঘাঁটি হিসেবে ব্যবহারের দাবি করেন।