আসন্ন পবিত্র ঈদুল আজহা উপলক্ষে সিরাজগঞ্জ জেলার খামারগুলোতে ৬ লাখের বেশি কোরবানির পশু প্রস্তুত করা হয়েছে। জেলার বিভিন্ন উপজেলায় কয়েক মাস ধরেই গরু, মহিষ, ছাগল ও ভেড়া মোটাতাজাকরণের কাজ চলছে। ইতোমধ্যে পশুর হাটগুলোতে কেনাবেচাও শুরু হয়েছে।
জেলা প্রাণিসম্পদ বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, এ বছর সিরাজগঞ্জে কোরবানির জন্য মোট ৬ লাখ ১৭ হাজার ৭২৩টি পশু প্রস্তুত করা হয়েছে। জেলার শাহজাদপুর, উল্লাপাড়া, এনায়েতপুর ও বেলকুচি উপজেলায় সবচেয়ে বেশি পশু মোটাতাজাকরণ করা হচ্ছে। এছাড়া চরাঞ্চল ও গ্রামাঞ্চলের ছোট-বড় খামারেও পশু লালন-পালন চলছে।
খামারিরা জানান, গো-খাদ্যের দাম বাড়ায় পশু পালনে ব্যয়ও বেড়েছে। তবে ঈদে পশুর ভালো দাম পাওয়া যাবে বলে তারা আশাবাদী।
জেলায় কোরবানির পশুর স্থানীয় চাহিদা প্রায় ২ লাখ ৯৩ হাজার। বাকি পশু ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন জেলায় সরবরাহ করা হবে।
জেলায় বর্তমানে ২৭টি স্থায়ী ও ২০টি অস্থায়ী পশুর হাট রয়েছে।