মধ্যপ্রাচ্যে চলমান অস্থিরতা ও যুদ্ধের প্রভাবে বিশ্ববাজারে তেল, গ্যাস ও সারসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পণ্যের দাম উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়ে গেছে। এর ফলে চার মাসে এই পণ্য আমদানিতে বাংলাদেশকে প্রয়োজন হবে প্রায় ৩০০ কোটি মার্কিন ডলারের অর্থ। এই চাপ সামাল দিতে সরকার বিদেশ থেকে ঋণ নেওয়ার চেষ্টা শুরু করেছে।
অর্থ মন্ত্রণালয়ের সামষ্টিক অর্থনীতি শাখা অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগকে (ইআরডি) চিঠি পাঠিয়ে ঋণ নেওয়ার প্রক্রিয়া শুরু করেছে। চিঠির সঙ্গে পাঠানো অবস্থানপত্রে যুদ্ধের প্রভাবে দেশের অর্থনীতির ওপর তৈরি চাপ বিস্তারিতভাবে তুলে ধরা হয়েছে। এতে বলা হয়েছে, ঋণ তিনভাবে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে- বৈদেশিক মুদ্রার মজুত ধরে রাখা ও আমদানির ব্যয় চালানো, নির্দিষ্ট জনগোষ্ঠীকে সহায়তা প্রদান এবং দেশের জ্বালানি ও সারসহ পণ্যের অস্বাভাবিক মূল্যবৃদ্ধি কমানো।
অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী ১৩ এপ্রিল থেকে যুক্তরাষ্ট্রে বিশ্বব্যাংক ও আইএমএফের বসন্তকালীন সভায় যোগ দিয়েছেন। সেখানে বাংলাদেশের পক্ষ থেকে ঋণ চাওয়ার বিষয় তুলে ধরা হবে। এ ছাড়া এডিবি ও এশীয় অবকাঠামো বিনিয়োগ ব্যাংকের সঙ্গে যোগাযোগও শুরু হয়েছে।