গ্রিনল্যান্ড দখলের পরিকল্পনার বিরুদ্ধে গ্রিনল্যান্ড ও ডেনমার্কে হাজারো মানুষ রাস্তায় নেমে প্রতিবাদ জানিয়েছে। ডেনমার্কের রাজধানী কোপেনহেগেনসহ একাধিক শহর এবং গ্রিনল্যান্ডের রাজধানী নুকেতে অনুষ্ঠিত এসব বিক্ষোভে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের বক্তব্য ও পদক্ষেপের নিন্দা করা হয়।
এই বিক্ষোভের মধ্যেই মার্কিন কংগ্রেসের একটি প্রতিনিধি দল কোপেনহেগেন সফর করে।
প্রতিনিধি দলের প্রধান ডেমোক্র্যাট সিনেটর ক্রিস কুনস ট্রাম্পের বক্তব্যকে গঠনমূলক নয় বলে মন্তব্য করেন। ট্রাম্প গ্রিনল্যান্ডকে যুক্তরাষ্ট্রের জাতীয় নিরাপত্তার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ দাবি করে বলেছেন, প্রয়োজনে শক্তি প্রয়োগের পথও খোলা থাকবে। তিনি আরও ঘোষণা দেন, তার পরিকল্পনার বিরোধিতা করা ইউরোপীয় দেশগুলোর ওপর যুক্তরাষ্ট্র শুল্ক আরোপ করবে।
ডেনমার্ক, নরওয়ে, সুইডেন, ফ্রান্স, জার্মানি, যুক্তরাজ্য, নেদারল্যান্ডস ও ফিনল্যান্ডের পণ্যে ১ ফেব্রুয়ারি থেকে ১০% শুল্ক কার্যকর হবে, যা আগামী ১ জুনে বেড়ে ২৫% হতে পারে।
কম জনসংখ্যা হলেও সম্পদসমৃদ্ধ গ্রিনল্যান্ড উত্তর আমেরিকা ও আর্কটিকের মধ্যবর্তী অবস্থানের কারণে কৌশলগতভাবে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলে বিবেচিত।