২০২৬ সালের হজ ব্যবস্থাপনা সুষ্ঠু, সময়ানুবর্তী ও নির্বিঘ্ন করতে হজযাত্রীদের বিমান টিকিট আগামী সোমবার (১৯ জানুয়ারি) এর মধ্যে নিশ্চিত (কনফার্ম) করার নির্দেশ দিয়েছে ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয়। এ লক্ষ্যে সংশ্লিষ্ট তিনটি এয়ারলাইন্সকে আনুষ্ঠানিকভাবে চিঠি পাঠানো হয়েছে।
শনিবার (১৭ জানুয়ারি) ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয় থেকে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স, সৌদি এয়ারলাইন্স এবং ফ্লাইনাস এয়ারলাইন্সকে চিঠি পাঠানো হয়েছে।
চিঠিতে জানানো হয়, রাজকীয় সৌদি সরকারের হজ ও ওমরাহ মন্ত্রণালয় ঘোষিত ২০২৬ সালের হজ রোডম্যাপ অনুযায়ী আগামী ১ ফেব্রুয়ারির মধ্যে মক্কা ও মদিনায় হজযাত্রীদের জন্য বাড়ি ভাড়া সংক্রান্ত সব চুক্তি সম্পন্ন করা বাধ্যতামূলক। এরই মধ্যে জেনারেল অথোরিটি অব সিভিল অ্যাভিয়েশন (জিএসিএ) এবং বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষ (বেবিচক) অনুমোদিত ফ্লাইট শিডিউল সংশ্লিষ্ট এয়ারলাইন্সগুলোর হজ পোর্টালে আপলোড করা হয়েছে।
ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয় আরও জানায়, হজ এজেন্সিগুলো মক্কা-মদিনায় আবাসন চুক্তি সম্পন্নের জন্য এয়ারলাইন্সগুলোর কাছে বিমান টিকিটের চাহিদা বা রিকোয়েস্ট জমা দিচ্ছে। এসব রিকোয়েস্ট দ্রুত যাচাই করে নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই সংশ্লিষ্ট তিনটি এয়ারলাইন্সকে নিশ্চিত করতে হবে।
সৌদি সরকারের নির্দেশনা অনুযায়ী, একই সার্ভিস কোম্পানির আওতাভুক্ত হজযাত্রীদের একই ফ্লাইটে সৌদি আরবে গমন নিশ্চিত করতে হবে। পাশাপাশি, কোনো এজেন্সির মোট হজযাত্রীর অন্তত ২০ শতাংশকে প্রি-হজ ফ্লাইটের মধ্যবর্তী সময়ে এবং প্রথম ও শেষ ধাপে ৩০ থেকে ৫০ শতাংশ টিকিট ইস্যু করতে হবে। তবে প্রি-হজ ফ্লাইটের প্রথম বা শেষ কোনো ধাপে ৩০ শতাংশের কম কিংবা ৫০ শতাংশের বেশি টিকিট কোনো একক এজেন্সির অনুকূলে ইস্যু করা যাবে না।
চিঠিতে আরও বলা হয়, বর্তমান পরিস্থিতিতে হজযাত্রীদের আবাসন ব্যবস্থা, বিশেষ করে মদিনায় বাড়ি ভাড়া সংক্রান্ত চুক্তি সময়মতো সম্পন্ন করতে এজেন্সিগুলোর দাখিল করা বিমান টিকিটের চাহিদা বা রিকোয়েস্ট সৌদি সরকারের নির্দেশনা অনুসারে এয়ারলাইন্সগুলোর মধ্যে পারস্পরিক সমন্বয়ের মাধ্যমে আগামী ১৯ জানুয়ারি (সোমবার) এর মধ্যে নিশ্চিত করতে হবে। একই সঙ্গে এ বিষয়ে ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয় ও সংশ্লিষ্ট হজ এজেন্সিগুলোকে অবহিত করার জন্য অনুরোধ জানানো হয়েছে।