আগামী বছরের এপ্রিলের প্রথমার্ধে জাতীয় নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে—অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের এমন ঘোষণার পর তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়া জানিয়েছে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)।
শুক্রবার (৬ জুন) সন্ধ্যায় এক বিবৃতিতে দলের সদস্যসচিব আখতার হোসেন জানান, ঘোষিত সময়ের মধ্যে যদি ‘জুলাই সনদ’, ‘জুলাই ঘোষণাপত্র’ এবং গৃহীত সংস্কার বাস্তবায়নে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া হয়, তবে নির্বাচন আয়োজনে তাদের আপত্তি নেই।
তিনি বলেন, “আমরা প্রত্যাশা করেছিলাম, ‘জুলাই সনদ’ ও ‘জুলাই ঘোষণাপত্র’-এর আনুষ্ঠানিকতা শেষে নির্বাচন নিয়ে সুনির্দিষ্ট সময়সীমা ঘোষণা করা হবে। তবে যদি এই ঘোষণার মধ্যেই সংস্কার বাস্তবায়নের দিকটি নিশ্চিত করা হয়, তাহলে এনসিপির পক্ষ থেকে তা সমর্থনযোগ্য।”
উল্লেখ্য, জুলাই গণ-অভ্যুত্থানে নেতৃত্ব দেওয়া তরুণদের উদ্যোগে গঠিত এনসিপি জাতীয় নির্বাচনের পাশাপাশি গণপরিষদ নির্বাচনের দাবি জানিয়ে আসছে শুরু থেকেই। তাদের রাজনৈতিক কর্মসূচির মধ্যে রয়েছে—নির্বাচনের আগে স্থানীয় সরকার নির্বাচন সম্পন্ন, নির্বাচন কমিশনের পুনর্গঠন, এবং ‘জুলাই অভ্যুত্থান’-পরবর্তী আওয়ামী লীগের বিচার ও রাষ্ট্রীয় সংস্কার নিশ্চিত করা।
এনসিপি মনে করে, এসব সংস্কার ছাড়া নির্বাচন আয়োজন জনগণের প্রত্যাশা পূরণে ব্যর্থ হবে এবং গণতান্ত্রিক অভিযাত্রায় বাধা তৈরি করবে।