ঈদের আগের দিন, শুক্রবার (৬ জুন) দেশের বিভিন্ন সড়ক ও মহাসড়কে একাধিক সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণ হারিয়েছেন অন্তত ২০ জন, আহত হয়েছেন আরও অন্তত ৬০ জন। ঈদের আনন্দযাত্রা অনেক পরিবারের জন্য রূপ নিয়েছে শোকের যাত্রায়।
গাইবান্ধা: জেলার পলাশবাড়ী ও গোবিন্দগঞ্জ উপজেলায় পৃথক দুর্ঘটনায় ৭ জন নিহত হয়েছেন। নিহতরা হলেন—খামার নড়াইল গ্রামের লিয়াকত হোসেন (১৮), ইউনুছ (২০), অটোরিকশাচালক গনি মিয়া (৪০), আজিবর রহমান (৪০), কুড়িগ্রামের আনোয়ার হোসেন (৩০) ও তার স্ত্রী শারমিন আক্তার (২২)। একজনের পরিচয় তাৎক্ষণিকভাবে পাওয়া যায়নি।
ময়মনসিংহ: তারাকান্দা উপজেলায় দুটি দুর্ঘটনায় বাবা-ছেলেসহ ৪ জন নিহত হন। তারা হলেন পারভেজ মিয়া (৩৫), ছেলে হাসান মিয়া (৮), শরীফ মিয়া (২৫) ও হাবিবুর রহমান হবি (৪৫)। আহত হয়েছেন আরও ১২ জন।
ঝিনাইদহ: পৃথক দুটি দুর্ঘটনায় প্রাণ হারান ১০ বছরের মাদরাসাছাত্র আদনান ও কলেজছাত্র কাজল (১৮)। আহত দুজনকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
টাঙ্গাইল: কালিহাতীতে বাস ও ট্রেনের ছাদ থেকে পড়ে দুজন নিহত হন। নিহত রানা ইসলাম (২৩) স্ত্রী ও মাকে নিয়ে গ্রামের বাড়ি যাচ্ছিলেন। ট্রেন থেকে পড়ে নিহত অপর ব্যক্তির পরিচয় জানা যায়নি।
কিশোরগঞ্জ: পাকুন্দিয়ায় মাইক্রোবাসের ধাক্কায় মোটরসাইকেলের দুই আরোহী—দুলাল মিয়া (৪৫) ও শাহাব উদ্দিন (৫৫) নিহত হন। আহত হন আরও একজন।
কুমিল্লা: দুটি পৃথক উপজেলায় যাত্রীবাহী বাস খাদে পড়ে সুমাইয়া আক্তার (১৯) ও পুষ্প আক্তার (২৪) নামে দুই নারী নিহত হন। আহত হয়েছেন অন্তত ২০ জন।
মাদারীপুর: মোটরসাইকেল ও ইজিবাইকের সংঘর্ষে নিহত হন শাওন মোল্লা (১৮)। আহত হয়েছেন একাধিক ইজিবাইক যাত্রী।
সারা দেশের এই মর্মান্তিক দুর্ঘটনাগুলো ঈদযাত্রার নিরাপত্তা ব্যবস্থাপনা নিয়ে বড় ধরনের প্রশ্ন তুলছে।