রাজধানীর শাহ আলী মাজারে জিয়ারতকারী ও ভক্তদের ওপর হামলার ঘটনায় দায়ের হওয়া মামলায় এখন পর্যন্ত তিনজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। গত বৃহস্পতিবার রাতের ওই হামলায় গুরুতর আহত রেশমি বেগম নামে এক নারী বাদী হয়ে মামলাটি করেন।
মামলায় তিনি নয়জনের নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাত আরও ১০০-১৫০ জনকে আসামি করেছেন।
শনিবার (১৬ মে) রাতে শাহ আলী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা জাহাঙ্গীর আলম জানান, সিসিটিভি ফুটেজ বিশ্লেষণ করে হামলায় সরাসরি জড়িত থাকার অভিযোগে শেখ মো. সাজ্জাদুল হক রাসেল, মো. আজম ও মো. আরমান দেওয়ানকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। প্রাথমিকভাবে তারা বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সঙ্গে সম্পৃক্ত বলে জানা গেছে।
মামলার এজাহারে রেশমি বেগম উল্লেখ করেন, বৃহস্পতিবার গভীর রাতে হঠাৎ শতাধিক হামলাকারী লাঠিসোঁটা নিয়ে মাজারে ঢুকে ভাঙচুর ও হামলা চালায়। হামলাকারীরা মাজারের শিরনির ডেগের ঐতিহ্যবাহী লাল কাপড় ছিঁড়ে ফেলার পাশাপাশি মোমবাতি জ্বালানোর প্লেটসহ বিভিন্ন স্থাপনা ও ব্যবহার্য জিনিসপত্র নষ্ট করে। এতে বাধা দিতে গেলে তিনি নিজেও মারধরের শিকার হন। এ সময় তাকে শ্লীলতাহানিও করা হয়।
মামলায় আরও বলা হয়, হামলায় মাজারের প্রায় ৩০ হাজার টাকার সামগ্রী ভাঙচুর করা হয়েছে এবং জিয়ারতকারীদের কাছ থেকে প্রায় ৯০ হাজার টাকা ছিনিয়ে নেওয়া হয়েছে। পুলিশ জানিয়েছে, বাকি আসামিদের গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।