ভারতের উত্তরপ্রদেশের বাহরাইচ জেলায় চাচার চোখের সামনে ১২ বছর বয়সী এক কিশোরকে নদীতে টেনে নিয়ে যায় একটি কুমির। দীর্ঘ সময় ধরে উদ্ধার অভিযান চালানোর পর নদী থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়। মঙ্গলবার (১৪ জুলাই) জেলার ঘাগরা নদীর তীরে এ ঘটনা ঘটে। এ তথ্য জানিয়েছে দেশটির সংবাদমাধ্যম ইন্ডিয়া টুডে।
পুলিশ জানায়, ঘটনার দিন নিহত কিশোর তার চাচা উদয়রাজ সিংয়ের সঙ্গে ঘাগরা নদীর পাশের নিজেদের কৃষিজমিতে কাজ করতে গিয়েছিল। একপর্যায়ে নদীর তীরে থাকা অবস্থায় ওত পেতে থাকা একটি কুমির হঠাৎ তার ওপর হামলা চালায়।
কিশোরটির চিৎকার শুনে উদয়রাজ সিং দ্রুত তাকে উদ্ধারের চেষ্টা করেন। তিনি কুমিরের মুখ থেকে ভাতিজাকে ছিনিয়ে আনার আপ্রাণ চেষ্টা করলেও শেষ পর্যন্ত ব্যর্থ হন। মুহূর্তের মধ্যেই কুমিরটি কিশোরকে গভীর পানিতে টেনে নিয়ে যায়।
ঘটনার খবর ছড়িয়ে পড়লে স্থানীয় বাসিন্দারা নদীর তীরে জড়ো হন। পরে পুলিশ ও বাহরাইচ বন বিভাগের কর্মীরা যৌথভাবে উদ্ধার অভিযান শুরু করেন। নদীতে জাল ফেলে দীর্ঘ সময় অনুসন্ধান চালানো হলেও প্রথম দিকে কোনো সাফল্য মেলেনি।
শেষ পর্যন্ত সেদিন সন্ধ্যায় নদী থেকে কিশোরটির মরদেহ উদ্ধার করা হয়।