দেশের প্রধান নদ-নদীগুলোর পানি এখনো বিপৎসীমার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হলেও আগামী ৫ দিনে পদ্মা নদীর পানি বৃদ্ধি পেতে পারে বলে জানিয়েছে বন্যা পূর্বাভাস ও সতর্কীকরণ কেন্দ্র। একই সময়ে ব্রহ্মপুত্র, যমুনা ও গঙ্গা নদীর পানিও বাড়ার সম্ভাবনার কথা বলা হয়েছে।
শনিবার প্রকাশিত বৃষ্টিপাত, নদ-নদীর পরিস্থিতি ও পূর্বাভাসে কেন্দ্র জানায়, গত ২৪ ঘণ্টায় সিলেট বিভাগ এবং ভারতের ত্রিপুরা রাজ্যে ভারী বৃষ্টিপাত হয়েছে। আবহাওয়া সংস্থাগুলোর তথ্য অনুযায়ী, আগামী ১ দিন দেশের অভ্যন্তর ও সংলগ্ন উজানে মাঝারি-ভারী থেকে ভারী বৃষ্টি হতে পারে। এরপর পরবর্তী ৪ দিন চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগসহ ভারতের ত্রিপুরা অঞ্চলে ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা রয়েছে।
এদিকে উত্তর-পশ্চিম বঙ্গোপসাগর ও আশপাশের এলাকায় অবস্থানরত লঘুচাপটি আরও ঘনীভূত হয়ে সুস্পষ্ট লঘুচাপে পরিণত হয়েছে এবং একই এলাকায় অবস্থান করছে।
পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, আগামী ১ দিনে ব্রহ্মপুত্র ও যমুনা নদীর পানি বাড়তে পারে। এরপর পরবর্তী ৪ দিন যমুনার পানি স্থিতিশীল থাকার সম্ভাবনা রয়েছে।
একই সময়ে গঙ্গা নদীর পানি আগামী ২ দিন বাড়তে পারে এবং পরবর্তী ৩ দিন তা স্থিতিশীল থাকতে পারে। অন্যদিকে পদ্মা নদীর পানি আগামী ৫ দিন ধরে বৃদ্ধির প্রবণতা অব্যাহত থাকতে পারে। তবে ব্রহ্মপুত্র, যমুনা, গঙ্গা ও পদ্মাসহ দেশের সব প্রধান নদীই বিপৎসীমার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।
উত্তর-পূর্বাঞ্চলের সুরমা ও কুশিয়ারা নদীর পানি আগামী ১ দিন স্থিতিশীল থাকতে পারে। এরপর পরবর্তী ২ দিনে এ দুই নদীর পানি বাড়তে পারে।
চট্টগ্রাম বিভাগের মুহুরী, গোমতী ও ফেনী নদীর পানি আগামী ১ দিন বৃদ্ধি পেয়ে পরবর্তী ২ দিনে দ্রুত বাড়তে পারে। এছাড়া হালদা, সাঙ্গু, সেলোনিয়া ও মাতামুহুরী নদীর পানিতেও পরিবর্তনের সম্ভাবনা রয়েছে।
পূর্বাভাস অনুযায়ী, সিলেট ও ময়মনসিংহ বিভাগের মনু, ধলাই, খোয়াই, সারিগোয়াইন, যাদুকাটা, সোমেশ্বরী এবং ভুগাই-কংস নদীর পানি আগামী ৩ দিন পর্যন্ত বাড়তে পারে।
অন্যদিকে রংপুর বিভাগের তিস্তা, ধরলা ও দুধকুমার নদীর পানি আগামী ৩ দিনে কমে যেতে পারে বলে জানিয়েছে বন্যা পূর্বাভাস ও সতর্কীকরণ কেন্দ্র।