ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ মোজতবা খামেনি বলেছেন, মিনাব ও লামের্দে শিশু হত্যাসহ ইরানের বিরুদ্ধে সংঘটিত যুদ্ধাপরাধের সব ঘটনার বিচার দেশীয় ও আন্তর্জাতিক আদালতে হওয়া উচিত।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক বার্তায় তিনি বলেন, দ্বিতীয় ও তৃতীয় আরোপিত যুদ্ধে ইরানি জনগণের যে শারীরিক ও মানসিক ক্ষতি হয়েছে, তার প্রতিটি ঘটনাই একটি করে আইনি মামলার ভিত্তি হতে পারে। তিনি লেখেন, শিশু হত্যা, মিনাব ও লামের্দে যুদ্ধাপরাধ, চিকিৎসাকেন্দ্রে হামলাসহ বিভিন্ন ঘটনার বিচার দেশীয় ও আন্তর্জাতিক আদালতে অনুসরণ করা উচিত।
এর আগে ইরানের রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যম প্রেস টিভিকে দেওয়া এক বক্তব্যে খামেনি বলেন, বর্তমানে দেশের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ আইনি চ্যালেঞ্জ হলো ‘আন্তর্জাতিক অপরাধী’ ও ‘বিশ্বব্যাপী আগ্রাসনকারীদের’ বিরুদ্ধে ইরানের অধিকার প্রতিষ্ঠা করা।
তিনি অভিযোগ করেন, ২০২৫ সালের জুনে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল এবং ২০২৬ সালের ফেব্রুয়ারিতে ইরানের বিরুদ্ধে পরিচালিত দুটি আগ্রাসী যুদ্ধের ফলে বহু মানুষ প্রাণ হারিয়েছেন। একই সঙ্গে দেশের ভেতরে ও বাইরে বসবাসরত ইরানিদের শারীরিক, মানসিক, আর্থিক ও আধ্যাত্মিক ক্ষয়ক্ষতিও হয়েছে।
মোজতবা খামেনির ভাষ্য, এসব ঘটনার ভিত্তিতে শত শত, এমনকি হাজারো গুরুত্বপূর্ণ আইনি মামলা করা সম্ভব। তিনি বলেন, নিহতদের রক্ত এবং ইরানি জনগণের ওপর চাপিয়ে দেওয়া ক্ষয়ক্ষতির জন্য দায়ীদের বিচারের আওতায় আনা প্রয়োজন।
ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আরও বলেন, এসব ঘটনার সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিদের আন্তর্জাতিক আইন অনুযায়ী জবাবদিহির মুখোমুখি করতে হবে এবং তাদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া উচিত।
তবে খামেনির এসব অভিযোগের বিষয়ে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের পক্ষ থেকে তাৎক্ষণিক কোনো প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।