ইউক্রেনে যুক্তরাষ্ট্রের কূটনৈতিক মিশনে বড় ধরনের পরিবর্তনের আভাস পাওয়া গেছে। চলমান উত্তেজনাকর পরিস্থিতির মধ্যেই কিয়েভ থেকে বিদায় নিতে যাচ্ছেন দেশটিতে নিযুক্ত ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রদূত জুলি ডেভিস। রাশিয়ার আসন্ন গ্রীষ্মকালীন সামরিক অভিযানের প্রস্তুতির সময়ে তাঁর এই প্রস্থান কূটনৈতিক মহলে নতুন আলোচনার জন্ম দিয়েছে।
গত বছরের মে মাস থেকে কিয়েভে অস্থায়ী চার্জ দ্য অ্যাফেয়ার্স হিসেবে দায়িত্ব পালন করে আসছিলেন ডেভিস। সংশ্লিষ্ট সূত্রের বরাতে ফিন্যান্সিয়াল টাইমস জানিয়েছে, ইউক্রেনকে সহায়তা প্রদানের ক্ষেত্রে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের নীতির সঙ্গে মতপার্থক্যের কারণে তিনি এই সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। এর আগে গত এপ্রিলে তাঁর পূর্বসূরি ব্রিজেট ব্রিঙ্কও প্রায় একই কারণে দায়িত্ব থেকে সরে দাঁড়িয়েছিলেন।
প্রায় তিন দশকের দীর্ঘ কূটনৈতিক ক্যারিয়ারের ইতি টেনে অবসরে যাওয়ার পরিকল্পনা করছেন ডেভিস। তিনি ইতিমধ্যে স্টেট ডিপার্টমেন্টকে নিজের সিদ্ধান্তের কথা আনুষ্ঠানিকভাবে জানিয়েছেন।
তবে কূটনৈতিক বিশ্লেষকরা তাঁর এই বিদায়ের পেছনের একটি জটিল সমীকরণ তুলে ধরেছেন। সাইপ্রাসে রাষ্ট্রদূত হিসেবে নিয়োগপ্রাপ্ত ডেভিস ভারপ্রাপ্ত হিসেবে ইউক্রেনে দায়িত্ব পালন করছিলেন। সাম্প্রতিক সময়ে তিনি জানতে পারেন, অ্যারিজোনার ব্যবসায়ী জন ব্রেসলোকে সাইপ্রাসে রাষ্ট্রদূত হিসেবে মনোনীত করা হয়েছে। এই সিদ্ধান্তের বিষয়টি তাঁকে আগে থেকে অবগত না করায় তিনি বিস্মিত হয়েছিলেন, যা তাঁর পদত্যাগের পেছনে বড় অনুঘটক হিসেবে কাজ করছে বলে অভিমত বিশ্লেষকদের।