চীনের সঙ্গে সপ্তাহব্যাপী যৌথ আকাশ ও নৌ-মহড়া শুরু করেছে রাশিয়া। এ মহড়াকে ঘিরে এশিয়া-প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলে নতুন করে উত্তেজনার আশঙ্কা তৈরি হলেও ক্রেমলিন বলছে, এ আয়োজন কোনো দেশের বিরুদ্ধে নয় এবং এটি কারও জন্য হুমকি সৃষ্টি করবে না।
সোমবার (৬ জুলাই) রয়টার্সের এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়।
ক্রেমলিনের ভাষ্য অনুযায়ী, সোমবার থেকে চীনের চিংদাও শহরের জলসীমা ও আকাশসীমায় দুই দেশের যৌথ সামরিক মহড়া শুরু হয়েছে। তাদের দাবি, এ মহড়ার উদ্দেশ্য কোনো নির্দিষ্ট দেশকে লক্ষ্য করা নয়; বরং আঞ্চলিক নিরাপত্তা সহযোগিতা আরও জোরদার করা।
রাশিয়ার রাষ্ট্রীয় সংবাদ সংস্থা আরআইএ জানিয়েছে, ৬ থেকে ১৩ জুলাই পর্যন্ত চলা এই মহড়ায় রাশিয়া তার প্রশান্ত মহাসাগরীয় নৌবহর থেকে একটি ক্রুজার, একটি করভেট, একটি ডিজেল-ইলেকট্রিক সাবমেরিন এবং একটি উদ্ধারকারী জাহাজ মোতায়েন করেছে।
মহড়ার উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে রাশিয়ার রিয়ার অ্যাডমিরাল সের্গেই সিনকো বলেন, এই যৌথ কার্যক্রম মস্কো ও বেইজিংয়ের মধ্যে নৌ-সহযোগিতাকে নতুন উচ্চতায় নিয়ে যাবে। তিনি আরও বলেন, এ ধরনের মহড়া সম্পূর্ণ প্রতিরক্ষামূলক উদ্দেশ্যে পরিচালিত হচ্ছে।
এশিয়া-প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলে এ মহড়া নতুন উত্তেজনা সৃষ্টি করতে পারে কি না- এমন প্রশ্নের জবাবে ক্রেমলিনের মুখপাত্র দিমিত্রি পেসকভ বলেন, “আমাদের যৌথ মহড়াগুলো কারও বিরুদ্ধে কিংবা এ অঞ্চলের কোনো নির্দিষ্ট রাষ্ট্রের বিরুদ্ধে পরিচালিত হচ্ছে না। সবাইকে এ বিষয়টি মনে রাখা উচিত।”
তিনি আরও বলেন, রাশিয়া ও চীনের মধ্যে গুরুত্বপূর্ণ ও সংবেদনশীল খাতে সহযোগিতা আরও শক্তিশালী করতে এ ধরনের মহড়া অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ এবং এটি আঞ্চলিক নিরাপত্তা ও স্থিতিশীলতায় গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখবে।