বর্ণিল আয়োজনের মধ্য দিয়ে ২১ বছরে পদার্পণ করেছে নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (নোবিপ্রবি)। বিশ্ববিদ্যালয়ের ২০তম বিশ্ববিদ্যালয় দিবস উপলক্ষে কেক কাটা, পায়রা উড়ানো ও বর্ণাঢ্য র্যালির মাধ্যমে আয়োজনের উদ্বোধন করেন শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন।
সোমবার (২২ জুন) সকালে আয়োজিত অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন নোয়াখালী-৪ আসনের সংসদ সদস্য আলহাজ্ব মো. শাহজাহান, বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. মামুন আহমেদ, বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. গোলাম রব্বানী, জেলা প্রশাসক মুহাম্মদ শফিকুল ইসলাম, উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ শফিকুল ইসলামসহ প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও আমন্ত্রিত অতিথিরা।
বিশ্ববিদ্যালয় দিবসের কর্মসূচির অংশ হিসেবে ৫১ জন শিক্ষক ও শিক্ষার্থীকে বিভিন্ন ক্যাটাগরিতে পুরস্কার ও অ্যাওয়ার্ড দেওয়ার কথা রয়েছে। এর মধ্যে ৪৯ জন শিক্ষক-শিক্ষার্থীকে ‘ডিনস অ্যাওয়ার্ড’ এবং ৩টি ক্যাটাগরিতে ৩ জনকে ‘ভাইস-চ্যান্সেলর অ্যাওয়ার্ড’ প্রদান করা হবে।
বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. গোলাম রব্বানী বলেন, প্রতিষ্ঠার পর থেকে নোবিপ্রবি শিক্ষা, গবেষণা ও উদ্ভাবন খাতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখে আসছে। অর্জনের এই ধারাবাহিকতা বজায় রেখে বিশ্ববিদ্যালয়কে আরও এগিয়ে নিতে প্রশাসন কাজ করছে।
তিনি আরও বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিষ্ঠাতা ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার স্মৃতির প্রতি শ্রদ্ধা জানানো হবে। পাশাপাশি তার রুহের মাগফিরাত কামনায় কেন্দ্রীয় মসজিদে মিলাদ ও দোয়া মাহফিলের আয়োজন করা হয়েছে।
বিশ্ববিদ্যালয়ের উন্নয়ন পরিকল্পনা নিয়ে উপাচার্য জানান, আগামী অর্থবছরে অবকাঠামোগত উন্নয়নের জন্য কয়েকটি প্রকল্পের কাজ শুরু হয়েছে। একাডেমিক ভবন-৩ নির্মাণ শেষ হলে শ্রেণিকক্ষ ও গবেষণাগারের সংকট অনেকটাই কমে আসবে।
তিনি আরও জানান, বিশ্ববিদ্যালয়ে একটি স্কুল অ্যান্ড কলেজ প্রতিষ্ঠার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি সোনাপুর থেকে বিশ্ববিদ্যালয় সংলগ্ন বাংলাবাজার পর্যন্ত সড়ক চার লেনে উন্নীত করা হলে শিক্ষার্থীদের যাতায়াত আরও সহজ হবে।