লন্ডনে গত কয়েক বছরে সাইকেল ব্যবহারের প্রবণতা উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে। ২০১৯ সালের তুলনায় দুই হাজার চব্বিশ সালে শহরটিতে সাইকেল ব্যবহার প্রায় তেতাল্লিশ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে। তবে নানা উদ্যোগের পরও ব্যক্তিগত গাড়ির ব্যবহার প্রায় আগের পর্যায়েই রয়েছে।
সম্প্রতি প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ২০২৪ সালে লন্ডনে গাড়িতে যাতায়াতের হার প্রায় ২০১৮ সালের সমান ছিল। অর্থাৎ সাইকেল ও গণপরিবহনের ব্যবহার বাড়লেও ব্যক্তিগত গাড়ির ওপর নির্ভরতা প্রত্যাশিত মাত্রায় কমেনি।
পরিবেশবান্ধব নগর ব্যবস্থা গড়ে তুলতে দীর্ঘদিন ধরে বিভিন্ন উদ্যোগ নিচ্ছে লন্ডন। যানজট কমাতে শহরটিতে বিশেষ ফি চালু করা হয়েছে। পাশাপাশি বিভিন্ন এলাকায় ‘কম যানবাহন অঞ্চল’ তৈরি করা হয়েছে, যেখানে ব্যক্তিগত গাড়ি চলাচলে সীমাবদ্ধতা রাখা হয়েছে।
এ ছাড়া হাঁটা, সাইকেল চালানো এবং গণপরিবহন ব্যবহারে নাগরিকদের উৎসাহিত করতে নানা পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।
বর্তমানে লন্ডনের মোট যাতায়াতের প্রায় এক-চতুর্থাংশ মানুষ হেঁটে সম্পন্ন করেন। পাশাপাশি শহরের সড়কে সাইকেল আরোহীর সংখ্যাও আগের তুলনায় বেড়েছে। হাজার হাজার বাস, যার বড় অংশ বৈদ্যুতিক, এবং বিস্তৃত রেল নেটওয়ার্ক লন্ডনের গণপরিবহন ব্যবস্থাকে আরও শক্তিশালী করেছে।
তবে বিশেষজ্ঞদের মতে, ব্যক্তিগত গাড়ির ব্যবহার কমানোর ক্ষেত্রে লন্ডনের নেওয়া পদক্ষেপ এখনো যথেষ্ট নয়। সাইকেল ব্যবহারের হার বাড়লেও এটি এখনো শহরের মোট যাতায়াতের প্রায় পাঁচ শতাংশ।
তুলনামূলকভাবে নেদারল্যান্ডসে মোট যাতায়াতের প্রায় সাতাশ শতাংশ সম্পন্ন হয় সাইকেলের মাধ্যমে।