যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে চলমান উত্তেজনার প্রেক্ষাপটে ইরান ও চীন সমন্বিত কৌশল নিয়ে এগোচ্ছে বলে দাবি করা হয়েছে এক প্রতিবেদনে। এতে বলা হয়, বেইজিং একই সঙ্গে কূটনৈতিক ও সামরিক দুই দিক থেকেই বার্তা দিচ্ছে, যা পুরো পরিস্থিতিকে ‘দাবার বোর্ডের’ মতো কৌশলগতভাবে সাজানোর ইঙ্গিত দেয়।
প্রতিবেদন অনুযায়ী, চীন আনুষ্ঠানিকভাবে ইরান সংকটে প্রতিক্রিয়া জানাচ্ছে দুটি সমান্তরাল পথে- একদিকে কূটনৈতিক মাধ্যমে, অন্যদিকে সামরিক মাধ্যমে। এতে বোঝা যাচ্ছে, চীন এই সংঘাতকে শুধু রাজনৈতিক বা কূটনৈতিক নয়, বরং সামরিক হুমকি হিসেবেও বিবেচনা করছে।
চীনের সামরিক মুখপাত্র এক কর্নেল যুক্তরাষ্ট্রকে ‘যুদ্ধে আসক্ত’ বলেও মন্তব্য করেছেন। তিনি বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের ইতিহাস প্রায় ২৫০ বছরের হলেও এর মধ্যে মাত্র ১৬ বছর শান্তিপূর্ণ ছিল। এই দাবি তুলে মূলত তিনি দেশটিকে বৈশ্বিক ও নৈতিক হুমকি হিসেবে উল্লেখ করেন।
অপরদিকে চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং আদর্শিকভাবে মার্ক্সবাদ ও কনফুসীয় দর্শনের সমন্বয়ের দিকে জোর দিচ্ছেন। বিশ্লেষকদের মতে, এটি চীনের দীর্ঘমেয়াদি কৌশলগত অবস্থানকে আরও দৃঢ় করছে। এমন পরিস্থিতিতে ইরান ও চীনের এই সমন্বিত অবস্থান মধ্যপ্রাচ্যসহ বৈশ্বিক ভূরাজনীতিতে নতুন মাত্রা যোগ করতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।