ইরানে যৌথভাবে আগ্রাসন চালাচ্ছে ইসরাইল ও তাদের সহযোগী যুক্তরাষ্ট্র। ইসলামি প্রজাতন্ত্রে ওয়াশিংটন ও তেল আবিবের হামলা শুরু হওয়ার পর সংঘাত ছড়িয়ে পড়েছে পুরো মধ্যপ্রাচ্যে, যেখান থেকে বিশ্বের জ্বালানির প্রায় দুই-তৃতীয়াংশ যোগান দেওয়া হয়। এছাড়া আগ্রাসনের জবাবে ইরান হরমুজ প্রণালি অবরুদ্ধ করায় এ পথে বিশ্বের ২০ শতাংশ তেল ও গ্যাসের সরবরাহ বন্ধ হয়ে গেছে।
মধ্যপ্রাচ্যের সংঘাতের কারণে বিশ্ববাজারে জ্বালানির দাম দ্রুত বাড়ছে। এতে সবচেয়ে বেশি নেতিবাচক প্রভাব পড়েছে পরিবহণ ব্যবস্থায় এবং প্লাস্টিক ও খাদ্যপণ্য উৎপাদনে। সমানতালে ভুগছে কৃষি উৎপাদন; কারণ তেল সংকটে সেচ ব্যবস্থা বন্ধের উপক্রম হয়েছে এবং তীব্র হচ্ছে সার সংকট। দেশে দেশে পাম্পগুলো বন্ধ হয়ে যাচ্ছে।
সোমবার (২৩ মার্চ) বিবিসির এক প্রতিবেদনে বলা হয়, যুক্তরাজ্যের একটি কৃষি ইউনিয়নের (এনএফইউ) প্রধান জানিয়েছেন, মধ্যপ্রাচ্যে চলমান সংঘাতের কারণে কৃষক ও খাদ্য উৎপাদনকারীদের উৎপাদন খরচ ‘বিপুল পরিমাণে’ বৃদ্ধি পাচ্ছে। একইসঙ্গে তিনি খাদ্য উৎপাদন ব্যয়ের ওপর এর প্রভাব নিয়ে সতর্ক করেছেন।
দীর্ঘমেয়াদে একটি স্থিতিশীল খাদ্য সরবরাহ ব্যবস্থা গড়ে তুলতে হলে কৃষকদের অবশ্যই তাদের নেওয়া ঝুঁকির বিপরীতে ন্যায্য মুনাফা পেতে হবে। এই পরিস্থিতিকে সরবরাহ ব্যবস্থার মাধ্যমে আসা ‘মুদ্রাস্ফীতির পরবর্তী চক্রের শুরু’ হিসেবে বর্ণনা করা যায়।