দেশের জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় জরুরি ভিত্তিতে সৌদি আরব থেকে এক লাখ মেট্রিক টন ডিজেল ও ২৫ হাজার মেট্রিক টন গ্যাসোলিন আমদানি করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। এ আমদানিতে মোট ব্যয় ধরা হয়েছে প্রায় দুই হাজার কোটি টাকা। রোববার (১৫ মার্চ) বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়ের এক বার্তায় এ তথ্য জানানো হয়।
এদিকে দেশে জ্বালানি তেল বিক্রিতে চালু থাকা রেশনিং ব্যবস্থা তুলে নেওয়ার ঘোষণা দিয়েছে সরকার। সচিবালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে জ্বালানি প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত জানান, সাধারণ ভোক্তাদের কাছে জ্বালানি তেল বিক্রি এবং ফিলিং স্টেশনে সরবরাহের ওপর আর কোনো সীমা থাকবে না।
তবে রেশনিং প্রত্যাহারের পরও পুরোপুরি কাটেনি জ্বালানি সংকট। সংশ্লিষ্টদের অভিযোগ, বিভিন্ন ডিপো থেকে ফিলিং স্টেশনে তেল সরবরাহ এখনো স্বাভাবিক হয়নি। ফলে অনেক জায়গায় গ্রাহকদের দীর্ঘ লাইনে দাঁড়িয়ে তেল সংগ্রহ করতে হচ্ছে।
সরকারি সূত্র জানায়, আগামী এপ্রিল মাসে জ্বালানি সরবরাহ নিশ্চিত করতে ১৫টি জাহাজের জন্য এলসি খোলা হয়েছে। এর মধ্যে ১৩টি পার্সেলের সরবরাহের সম্মতি মিললেও এখন পর্যন্ত মাত্র তিনটি জাহাজের বিষয়ে নিশ্চিত হওয়া গেছে।
এই পরিস্থিতিতে সংকট মোকাবিলায় ভারত, চীন এবং জাপানের কাছেও সহায়তা চাওয়া হয়েছে বলে জানানো হয়েছে। এদিকে চট্টগ্রামসহ বিভিন্ন শহরের ফিলিং স্টেশনগুলোতে এখনো জ্বালানি নিতে গ্রাহকদের দীর্ঘ লাইনে অপেক্ষা করতে দেখা যাচ্ছে। সরবরাহ কম থাকায় অনেক পাম্পে এখনো সীমিত পরিমাণে তেল বিক্রি করা হচ্ছে।