ঈদের আনন্দ ভাগাভাগি করতে রাজধানী ছেড়ে ঘরমুখী মানুষজনের যাত্রা শুক্রবার থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু হয়েছে। ঘরমুখী যাত্রার পরিস্থিতি খতিয়ে দেখতে কমলাপুর রেলওয়ে স্টেশন পরিদর্শন করেছেন রেলপথ মন্ত্রী শেখ রবিউল আলম।
পরিদর্শনের সময় তিনি জানান, ট্রেনের ছাদে ওঠার সব পথ বন্ধ করা হয়েছে। মন্ত্রী বলেন, “ঈদযাত্রার শেষ মুহূর্তে অনেক যাত্রী ছাদে উঠে যাতায়াতের চেষ্টা করেন। এ প্রবণতা বন্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। শতভাগ নিশ্চিত করা কঠিন হলেও আমরা সর্বোচ্চ চেষ্টা করছি, যাতে কেউ ছাদে উঠতে না পারে।”
প্রথম দিনের ঈদযাত্রায় রেলস্টেশনে তেমন উপচে পড়া ভিড় লক্ষ্য করা যায়নি এবং সব ট্রেন নির্ধারিত সময়মতো ছেড়েছে। একজন যাত্রী বলেন, “এখনো ভিড় নেই, আরামেই যেতে পারছি। আগের ট্রেনগুলো ঠিক সময়েই গেছে, আশা করি এবারও লেট হবে না।”
মন্ত্রী আরও জানান, ঈদযাত্রা নির্বিঘ্ন রাখতে রেল যোগাযোগে অতিরিক্ত কোচ এবং বিশেষ ট্রেন যুক্ত করা হয়েছে। বর্তমানে প্রায় ১২৪টি কোচ চালু রয়েছে। মিটারগেজে আরও ১৪টি কোচ এবং ব্রডগেজ লাইনে পাঁচ জোড়া বিশেষ ট্রেন যাত্রীসেবা দিচ্ছে। এতে প্রতিদিন প্রায় ৩৬ থেকে ৪২ হাজার যাত্রীকে পরিবহন করা সম্ভব হবে।
তিনি বলেন, “৩ তারিখ থেকে ধারাবাহিকভাবে অগ্রিম টিকিট বিক্রি শুরু করা হয়। প্রায় ৩৭ লাখ মানুষ অনলাইনে টিকিট নিতে চেষ্টা করেছেন, কিন্তু রেলের সক্ষমতা অনুযায়ী মাত্র ৩৬ হাজার টিকিট বিক্রি সম্ভব হয়েছে।”
ঈদযাত্রার প্রথম ট্রেন ‘ধূমকেতু এক্সপ্রেস’ সকাল ৬টায় রাজশাহীর উদ্দেশে ছেড়ে যায়, যা দিয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে ট্রেনে ঈদযাত্রা শুরু হয়। এই যাত্রা চলবে ঈদের আগের দিন পর্যন্ত।