Ridge Bangla

দেশে ৯ হাজার ধর্মীয় শিক্ষক নিয়োগ করবে সরকার

দেশে হাজার ধর্মীয় শিক্ষক নিয়োগের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী এহসানুল হক মিলন। জাতীয় সংসদে বিএনপি দলীয় সংসদ সদস্য মনিরুল হক চৌধুরীর সম্পূরক প্রশ্নের জবাবে তথ্য জানান শিক্ষামন্ত্রী।

তিনি বলেন, সরকার শুধু ইসলামি শিক্ষা নয়, সব ধর্মের অনুভূতিকে গুরুত্ব দিয়ে কাজ করছে। ছাড়া প্রাথমিক শিক্ষাব্যবস্থায় বড় ধরনের পরিবর্তন আনতে ১৮০ দিনের কর্মসূচি অন্তর্ভুক্ত করার নির্দেশনা ইতোমধ্যে পাওয়া গেছে। অন্যদিকে, স্কুলে ভর্তিতে লটারি প্রথা পর্যালোচনার পর সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে বলে জানানো হয়।

মন্ত্রী আরও বলেন, সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার সময় প্রাথমিক শিক্ষাকে সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব দেওয়া হয়েছিল। আমি অত্যন্ত গর্বিত যে বিষয়টিকে সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব দিয়েছিলেন সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া। একই বিষয়ে নবনির্বাচিত বর্তমান প্রধানমন্ত্রীও গুরুত্ব দিচ্ছেন।

মন্ত্রী বলেন, সমাজে নৈতিক শিক্ষা ধর্মীয় অনুভূতির গুরুত্ব কমে যাওয়ায় বিভিন্ন ধরনের অন্যায় বাড়ছে। কারণে শিক্ষা মন্ত্রণালয় হাজার ধর্মীয় শিক্ষক নিয়োগের পরিকল্পনা বিবেচনা করছে। তবে কওমি মাদ্রাসার শিক্ষার্থীদের সার্টিফিকেট এবং কিরাত শিক্ষকের স্বীকৃতি নিয়ে কিছু জটিলতা রয়েছে। মাদ্রাসা শিক্ষাব্যবস্থায় কিরাত বিষয়টি না থাকায় সমস্যা তৈরি হয়েছে।

মন্ত্রী আশা প্রকাশ করেন, শিগগিরই সার্টিফিকেটসংক্রান্ত জটিলতার সমাধান করে ধর্মীয় শিক্ষক নিয়োগের সিদ্ধান্ত বাস্তবায়ন করা হবে। ধর্মীয় শিক্ষা বলতে আমরা শুধু ইসলামিক শিক্ষা বুঝি না; সব ধর্মের অনুভূতিকে গুরুত্ব দিয়ে আমরা কাজ এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছি। ছাড়া ইবতেদায়ি, কওমি এবং সাধারণ শিক্ষাব্যবস্থাকে সমন্বিত কাঠামোর আওতায় আনার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

সংসদ সদস্য এস এম জাহাঙ্গীর হোসেনের এক প্রশ্নের লিখিত জবাবে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, বর্তমানে দেশে ৫৭টি পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় রয়েছে এবং সরকার সেগুলোর মানোন্নয়নে গুরুত্ব দিচ্ছে। নতুন পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপনের বিষয়ে প্রয়োজনীয়তা বিবেচনা করে পরবর্তী সময়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।

This post was viewed: 5

আরো পড়ুন