তৃতীয় ওয়ানডে ছিল দুই দলের জন্যই খুবই গুরুত্বপূর্ণ। আগের দুই ওয়ানডেতে উভয় দল ১-১ ম্যাচে জয় লাভের পর এটি অলিখিত ফাইনালে পরিণত হয়। তাই যে দল ম্যাচে জয় লাভ করবে, তারাই সিরিজ জিতবে। এ জন্য দুই দলের কাছেই এই ম্যাচ ছিল চরম উত্তেজনাকর।
স্নায়ুচাপের এই ম্যাচে নানা নাটকীয়তার শেষে বাংলাদেশ ১১ রানে জয় লাভ করে সিরিজ জিতে নেয়। শ্বাসরুদ্ধকর এই ম্যাচে বাংলাদেশ প্রথমে ব্যাট করে ২৯০ রানের বড় সংগ্রহ গড়ে। ২৯১ রানের লক্ষ্য নিয়ে খেলতে নেমে পাকিস্তান শুরু থেকেই চরম বিপর্যয়ে পড়ে। মাঝখানে মিডল অর্ডারের দৃঢ়তায় ম্যাচে ফিরে এলেও শেষ পর্যন্ত ২৭৯ রানে অলআউট হয়ে যায় তারা। এতে ১১ রানের এক দৃষ্টান্তমূলক জয় লাভ করে বাংলাদেশ।
এই জয়ের মাধ্যমে বাংলাদেশ সিরিজ জেতে। শুধু সিরিজই নয়, এই জয়ের মাধ্যমে আইসিসি র্যাঙ্কিংয়েও উন্নতি লাভ করে দলটি। আগামী বছরের ওয়ানডে বিশ্বকাপে সরাসরি জায়গা করে নেওয়ার লড়াইয়ে এক ধাপ এগিয়ে গেল বাংলাদেশ। এর আগে আইসিসি র্যাঙ্কিংয়ে বাংলাদেশ ছিল ১০ নম্বরে। তখন ক্যারিবীয়দের হারিয়ে সিরিজ জয়ের পরও ১০ নম্বরেই ছিল বাংলাদেশ। তাদের সঙ্গে রেটিং পয়েন্টের ব্যবধান ছিল ১।
পাকিস্তানের বিপক্ষে সিরিজ জয়ের পর ওয়েস্ট ইন্ডিজকে টপকে আইসিসি ওয়ানডে র্যাঙ্কিংয়ে বাংলাদেশ এখন ৯ নম্বরে। অপরদিকে পাকিস্তান আছে ৪ নম্বারে। তবে রেটিং পয়েন্ট ১০৫ থেকে কমে হয়েছে ১০২। পাকিস্তানের সঙ্গে সিরিজ শুরুর আগে বাংলাদেশের রেটিং পয়েন্ট ছিল ৭৬। এই সিরিজে ২-১ ব্যবধানে জয় লাভের পর রেটিং পয়েন্ট হয়েছে ৭৯। আর ১০-এ নেমে যাওয়া ক্যারিবীয়দের পয়েন্ট ৭৭।
আগামী বছরের অর্থাৎ ২০২৭ সালের ৩১ মার্চ র্যাঙ্কিংয়ের ভিত্তিতে চূড়ান্ত হবে আগামী বিশ্বকাপে সরাসরি খেলা দলগুলোর নাম। স্বাগতিক দক্ষিণ আফ্রিকা ও জিম্বাবুয়ে ছাড়া আইসিসি র্যাঙ্কিংয়ের অন্য শীর্ষ ৮ দল সরাসরি খেলবে বিশ্বকাপে।