Ridge Bangla

জনমতের লড়াইয়ে ভারত-পাকিস্তানের কে জিতছে?

দক্ষিণ এশিয়ার দুই প্রতিবেশী দেশ ভারত আর পাকিস্তানের রাজনৈতিক ইতিহাস যেমন ভিন্ন দিকে প্রবাহিত হয়েছে স্বাধীনতার পর থেকেই, তেমনি ভিন্নভাবে বিকশিত হয়েছে রাষ্ট্রকাঠামো।

ভারত শুরু থেকেই গণতান্ত্রিক ব্যবস্থাকে সংহত করেছে, পরিণত হয়েছে পৃথিবীর বৃহত্তম গণতন্ত্রে। অন্যদিকে পাকিস্তানে গণতন্ত্রের পথযাত্রা বার বার হোঁচট খেয়েছে, সামরিক বাহিনীর অফিসাররা শাসনক্ষমতার দখল নিয়েছে। দুই দেশের মধ্যে প্রায় চিরবৈরী সম্পর্ক রয়েছে, বৈরিতার পেছনে বারুদ জুগিয়েছে জনগণের ইচ্ছা আর সমর্থনও।

সম্প্রতি দুই দেশ আরো একবার একে অন্যের বিরুদ্ধে যুদ্ধে লিপ্ত হয়েছে। ঘটনার শুরু পেহেলগাম হামলা থেকে, গত ২২ এপ্রিল কাশ্মীরের পেহেলগামে বন্দুকধারীদের হামলায় ২৬ পর্যটক নিহত হওয়াকে কেন্দ্র করে দুই দেশের সম্পর্কের অবনতি ঘটে।

ভারত শুরু থেকেই হামলার জন্য পাকিস্তানকে দায়ী করার চেষ্টা করে, একই দাবিকে কেন্দ্র করে ভারত পাকিস্তানের অভ্যন্তরে হামলা করে। পাকিস্তান শুরু থেকে দাবি অস্বীকার করার পাশাপাশি ভারতের আক্রমণের জবাবও দেয়। দুই দেশেরই হতাহত হয়, ক্ষয়ক্ষতির পর যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যস্থতায় আসে যুদ্ধবিরতি।

তবে, ভারত আর পাকিস্তানের লড়াইয়ে যুদ্ধবিরতি মানেই সংঘাতের সমাপ্তি না। সশস্ত্র সংঘাতের পরে দুই পক্ষই এখন মনোযোগ দিয়েছে আন্তর্জাতিক জনমত গঠনের লক্ষ্যে, দুই দেশই সর্বদলীয় কমিটি করেছে বিভিন্ন দেশের কাছে নিজেদের অবস্থান তুলে ধরার জন্য।

যেহেতু প্রায় অর্ধসপ্তাহ এই যুদ্ধ আন্তর্জাতিক রাজনীতির আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে ছিলো- একটি জনমতের আবহে ইতোমধ্যেই চলমান রয়েছে, দুই পক্ষের অবস্থানে কিছু প্রশ্নের পাশাপাশি রয়েছে কিছু মূল্যায়ন।

জনমতে ভারতের অবস্থান ও প্রশ্ন

চলমান সংকটের সূচনা হয়েছে ২২ এপ্রিল কাশ্মীরের জনপ্রিয় পর্যটন স্থান পেহেলগামের সন্ত্রাসী হামলার মধ্য দিয়ে, যেখানে ২৬ জন পর্যটক নিহত হয়েছেন। এই হামলার পরিপ্রেক্ষিতেই ভারত পাকিস্তানের অভ্যন্তরে হামলা চালায়, হামলায় অর্ধশতাধিক নিহত পাকিস্তানির মধ্যে ৪০ জনই ছিলেন বেসামরিক নাগরিক। ভারতের নিজের পক্ষে আরো ২৬ জন নিহত হয়েছে পাকিস্তানের হামলায়। হতাহতের পাশাপাশি দুই পক্ষেরই হয়েছে অর্থনৈতিক ও অবকাঠামোগত ক্ষয়ক্ষতি।

যে পেহেলগামের ঘটনা থেকে পরবর্তী সংঘাতগুলোর সূচনা হয়েছে, ভারত এখনো পর্যন্ত সেই সন্ত্রাসী হামলায় পাকিস্তানের জড়িত থাকার ব্যাপারে কোনো প্রমাণ উপস্থাপন করতে পারেনি। সন্ত্রাসীদের গ্রেপ্তার করতে পারেনি, কিংবা সন্ত্রাসীদের মধ্যে যোগাযোগের কোনো বার্তাও উদ্ধার করতে পারেনি।

ভারতের অভিযোগের মূল ভিত্তি ছিলো অতীতের ঘটনাপ্রবাহ। ফলে, ভারতের অভিযোগকে একটি জাতীয়তাবাদী উন্মাদনার উপাদান হিসেবে বিবেচনা করেছেন অনেকে, যেটি মোদির উগ্র হিন্দুত্ববাদী সরকারের বৈধতা উৎপাদনের জন্য প্রয়োজন। বিপরীতে, ভারত ২০০০ সালে পার্লামেন্ট হামলা এবং ২০০৮ সালে মুম্বাই হামলার পরে এই প্রশ্নের সমাধান করেই আন্তর্জাতিক সমর্থনের জন্যে ছুটেছিল।

ভারত আর পাকিস্তানের লড়াইয়ের আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে ছিল ভারতের বিমান ভূপাতিত হওয়ার ঘটনা। পাকিস্তানের পক্ষ থেকে পাঁচটি যুদ্ধবিমান ভূপাতিত করার দাবি করা হয়। ফ্রান্স আর যুক্তরাষ্ট্রের সূত্রগুলো থেকে রাফায়েল যুদ্ধবিমান ভূপাতিত হওয়ার তথ্য নিশ্চিত হলেও, ভারতের পক্ষ থেকে ক্ষয়ক্ষতি সম্পর্কে বিস্তারিত কোনো তথ্যই প্রকাশ করা হচ্ছে না। ক্ষয়ক্ষতির অধিকাংশ প্রশ্ন এড়িয়ে গেছেন ভারতের মুখপাত্ররা, মনোবলের যুক্তিতে ক্ষয়ক্ষতিকে যুদ্ধের অনুষঙ্গ হিসেবে দেখতে বলেছেন। ভারতের এই লুকোচুরি নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে, জনমতের নির্মাণে এই প্রশ্ন গুরুত্বপূর্ণ।

যুদ্ধের সমাপ্তির ঘটনাপ্রবাহ নিয়েও চলছে বিস্তর লুকাছাপা। যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প দুই দেশের সংঘাত সমাপ্তিতে নিজের মধ্যস্থতার কথা বলেছেন, পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও যে মধ্যস্থতায় প্রেসিডেন্টের পক্ষে নেতৃত্ব দিয়েছেন। পাকিস্তান যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যস্থতার উদ্যোগকে সাধুবাদ জানিয়েছে, পাকিস্তানের জনগণও যুদ্ধবিরতি কার্যকরের পর রাস্তায় উল্লাস করেছে। বিপরীতে, ভারত বার বার যুদ্ধবিরতিতে তৃতীয় কোনো পক্ষের যুক্ত থাকার কথা অস্বীকার করেছে। যুদ্ধবিরতির মধ্যস্থতা নিয়ে ভারতের এই অবস্থানও প্রশ্ন তুলছে।

সামগ্রিকভাবে, ভারত আন্তর্জাতিক রাজনীতিতে প্রভাবশালী দেশগুলোকে অপারেশন সিঁদুর সম্পর্কে জানানোর উদ্যোগ নিলেও, দেশের জনগণ আর রাজনৈতিক স্টেকহোল্ডারদের রাখা হয়েছে অন্ধকারে।

অপারেশন সিঁদুর সংক্রান্ত ব্রিফিংয়ে পাকিস্তানের ক্ষয়ক্ষতি ছাড়া খুব কম তথ্যই দেওয়া হয়েছে, প্রথানুযায়ী পার্লামেন্টেরও বিশেষ অধিবেশন আহবান করা হয়নি। পররাষ্ট্রমন্ত্রী জয়শঙ্কর সাক্ষাৎকারে হামলার আগে পাকিস্তানকে সতর্ক করার কথার বিপরীতে বিরোধীদের প্রশ্নের জবাব মেলেনি, ভারতের সীমান্ত কেন সুরক্ষিত করা যায়নি বিরোধীদের সেই প্রশ্নও উহ্য রয়েছে।

সর্বদলীয় সভা ডেকে প্রধানমন্ত্রী মোদি চলে গিয়েছিলেন বিহারের এক জনসভায় ভাষণ দিতে, ভারতের গণতন্ত্রের ইতিহাসে যেটি বিরল। সব মিলিয়ে পুরো ঘটনাপ্রবাহের বিশ্বাসযোগ্যতার পাশাপাশি পেহেলগামের ঘটনাকে মোদির রাজনীতি সংহতকরণের একটি প্রচেষ্টা হিসেবেও দেখার চেষ্টা আছে।

জনমতে পাকিস্তানের অবস্থান ও প্রশ্ন

পেহেলগামের সন্ত্রাসী হামলার পর পাকিস্তান বিবৃতি দিয়ে সহমর্মিতা জানিয়েছে, ভারতের অভিযোগকে অস্বীকার করে আন্তর্জাতিক তদন্তের দাবি জানিয়েছে। ভারতের হামলার মুখে পাকিস্তানের সামরিক বাহিনী মুখোমুখি লড়াই করেছে, পাকিস্তানকে যুদ্ধের শুরুতেই ইতিবাচক হাওয়া দিয়েছে রাফায়েল যুদ্ধবিমান ভূপাতিত করার ঘটনা।

পরবর্তী দিনগুলোতে পাকিস্তানের বিমানঘাঁটিতে হামলা হয়েছে, পাকিস্তান পালটা আক্রমণের দাবি করেছে। হতাহতের সংখ্যা প্রকাশ করেছে, ক্ষয়ক্ষতির হিসাবও তুলে ধরেছে। এই প্রসঙ্গে পাকিস্তান তেমন কোনো প্রশ্নের মুখোমুখি হচ্ছে না, যদিও রাষ্ট্রের মৌলিক প্রকৃতি অনুসারে প্রশ্ন পাকিস্তানের দিকেই বেশি যাওয়ার কথা ছিল।

অগণতান্ত্রিক শাসকেরা সাধারণত সামরিক ক্ষয়ক্ষতিকে বেশি ভয় পান। ক্ষয়ক্ষতির মধ্যেও গত এক দশকের সবচেয়ে বড় ব্রেক থ্রু পেয়েছে পাকিস্তানের সামরিক বাহিনী। তেহরিক-ই-ইনসাফের নেতা ইমরান খানকে গ্রেপ্তারের ঘটনায় যেখানে সামরিক অবকাঠামো আক্রমণের শিকার হয়েছিল, সেখানে এবার জনগণ রাস্তায় নেমে সামরিক বাহিনীর পক্ষে বিজয়োল্লাস করেছে।

পাকিস্তানের ক্ষেত্রে প্রশ্নের শুরু ও শেষও এই সামরিক বাহিনীকে কেন্দ্র করেই। যুদ্ধে ভারতের পক্ষে যেখানে বেসামরিক রাজনৈতিক নেতৃত্ব নির্দেশনা দিয়েছেন, পাকিস্তানের ক্ষেত্রে মুখ্যত এই নেতৃত্ব ছিল সেনাপ্রধান জেনারেল আসিম মুনিরের হাতে। আদর্শিকভাবে এই জেনারেল দ্বিজাতিতত্ত্বের দৃঢ় সমর্থক।

সম্প্রতি সেনাপ্রধান আসিম মুনিরকে ফিল্ড মার্শাল পদে পদোন্নতি দেওয়া হয়েছে। যুদ্ধে সফল নেতৃত্বের পুরষ্কারস্বরূপ এই পদোন্নতি, পাকিস্তানের সামরিক বাহিনীর ইতিহাসে দ্বিতীয় ব্যক্তি হিসেবে ফিল্ড মার্শালের পদবি পেয়েছেন তিনি। সর্বশেষ ফিল্ড মার্শাল পদোন্নতি পাওয়া আইয়ুব খান ছিলেন পাকিস্তানের সামরিক শাসক, এক দশকের শাসকে যিনি মৌলিক গণতন্ত্র নামক অদ্ভুত শাসনব্যবস্থার প্রবর্তন করেছিলেন।

আইয়ুব খানের উদাহরণকে ব্যবহার করেই আসিম মুনিরের হাত ধরে পাকিস্তানের ক্রমবিবর্তিত শাসনব্যবস্থায় সামরিক নিয়ন্ত্রণের প্রশ্ন জোরেশোরে ফিরে আসছে, নতুনভাবে নির্মিত হওয়ার সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে সামরিক-বেসামরিক শাসনের সম্পর্ক। ফিল্ড মার্শাল মুনির নিশ্চিতভাবেই ক্ষমতার আরো বেশি নিয়ন্ত্রণ নিতে চাইবেন নতুন পদোন্নতির পরে।

ফিল্ড মার্শাল পদে পদোন্নতি পাকিস্তান আলংকারিক হিসেবেই দেখাতে চাচ্ছে, তবে এর ঐতিহাসিক গুরুত্ব বুঝতে হলে আমাদের ফিরে যেতে হবে ফিল্ড মার্শাল স্যাম মানেকশোর উদাহরণে। কিন্তু, ফিল্ড মার্শাল পদে পদোন্নতির ফলে সামরিক বাহিনীর গঠনতন্ত্রে যে সমস্যা তৈরি হচ্ছে, সেটি নতুন আলোচনার ক্ষেত্র তৈরি করেছে।

ফাইভ স্টার পদবিতে থাকলেও আসিম মুনির সেনাপ্রধান পদেই থাকবেন, ফলে ফোর স্টার জেনারেল পদে নতুন একজন সামরিক অফিসারকে হয়তো আনতে হবে উপ-সেনাপ্রধান হিসেবে। সামনের দিনগুলোতে এটিই হয়তো সর্বোচ্চ অর্জনযোগ্য পদ হয়ে যেতে পারে সেনাবাহিনীর অফিসারদের জন্য। এটি সামরিক বাহিনীর পদোন্নতিকে প্রভাবিত করবে, বিশেষত উচ্চাকাঙ্ক্ষী সিনিয়র অফিসারদের কাজের গতি কমিয়ে দিতে পারে প্রমোশনের সম্ভাবনা কমে যাওয়ায়। ফোর স্টার জেনারেলদের অবসরের বয়সসীমা পূর্বেই তুলে দেওয়া হয়েছে সামরিক বাহিনীতে, যেটি সংকটকে আরো জটিল করতে পারে।

ফিল্ড মার্শাল মুনির মাদ্রাসায় পড়াশোনা করা প্রথম সেনাপ্রধান, ওটিএস থেকে সোর্ড অব অনার নিয়ে গ্র্যাজুয়েট হওয়া প্রথম সেনাপ্রধানও তিনি। লেফটেন্যান্ট কর্নেল পদে সৌদি আরবে পোস্টিং থাকা অবস্থায় কুরআনের হিফজ করেন তিনি, একইসাথে নিয়ে আসেন সৌদি সুসম্পর্ক, যেটি তার সেনাপ্রধান হওয়ার সময় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।

প্রথম সেনাপ্রধান হিসেবে তিনি আইএসআই এর ডিরেক্টর জেনারেলের আগে সামলেছেন মিলিটারি ইন্টেলিজেন্সের ডিজির পদও। কর্মজীবনে এই বর্ণিল প্রথমগুলোর সাথে রয়েছে সংঘাতের কিছু সংযোগও।

সেনাপ্রধান আসিম মুনির প্রথম পাঞ্জাবি যিনি ভারতের সাথে সংঘাতকে নেতৃত্ব দিয়েছেন, তার নেতৃত্বেই পাকিস্তান সামরিক সংঘাতে জড়িয়েছে আফগানিস্তান ও ইরানের সাথে। ফিল্ড মার্শাল মুনিরের পূর্বপুরুষেরা ভারতের ঝালানদার থেকে পাকিস্তানে গিয়েছিলেন দেশভাগের সময়, একই জায়গা থেকে গিয়েছিলেন আরেক সেনাপ্রধান- জেনারেল জিয়াউল হক। পাকিস্তানকে এক দশকের বেশি সময় সামরিক শাসনে রেখেছিলেন এই জেনারেল।

প্রাসঙ্গিকভাবে, ফিল্ড মার্শাল মুনির পাকিস্তানের রাষ্ট্রকাঠামোকে কীভাবে বদলে দেবেন, ক্ষমতার সম্পর্কে কী পরিবর্তন আনবেন, দক্ষিণ এশিয়াকে কোন সংঘাতের দিকে নিয়ে যাবেন- এসব নিয়ে উৎকণ্ঠার যথেষ্ট কারণ আছে। ফিল্ড মার্শাল মুনির যে সেনাপ্রধান হিসেবে তার মেয়াদের অর্ধেক পূরণ করেছেন মাত্র, অর্ধেক এখনো বাকি।

জনমত কার পক্ষে?

ভারত পাকিস্তানের যুদ্ধে সামরিক সাফল্য নিয়ে বার বার বিতর্ক হয়েছে। ১৯৭১ সালের বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধ ছাড়া ভারত-পাকিস্তানের বাকি সংঘাতগুলোতে দুই পক্ষই নিজেদের বিভিন্ন সময়ে বিজয়ী দাবি করেছে। এই দাবি করার পেছনে সামরিক মনোবলের যেমন প্রশ্ন ছিল, একইভাবে ছিল জাতীয় উন্মাদনাকে সন্তুষ্ট রাখার প্রশ্নও।

কিন্তু প্রায় প্রতিটি ক্ষেত্রেই ভারত আন্তর্জাতিক কমিউনিটির সমর্থন আদায়ে সক্ষম হয়েছিল, ভারতের অবস্থানকেই প্রাসঙ্গিক ও যুক্তিপূর্ণ মনে হয়েছিলো।

এবারের সংঘাতে ভারত সেই ধরনের সমর্থন পাচ্ছে না, বরং যুদ্ধবিরতির সময়ে ভারতের অভ্যন্তরে এবং বাইরে বহু প্রশ্ন উঠছে। চলমান জনমতের যুদ্ধে অনেকে হয়তো পাকিস্তানকে বিজয়ী হিসেবে দেখবেন, অনেকে ভারত-পাকিস্তানের মধ্যে সমতা দেখবেন। জনমতের যুদ্ধে ভারতের সাথে টেক্কা দিতে পারছে- এই অর্জন পাকিস্তানের দিক থেকে নতুন এবং জয়ের সমান।

This post was viewed: 19

আরো পড়ুন