Ridge Bangla

উসমানী সাম্রাজ্যের উত্থান

পৃথিবীর ইতিহাসে অন্যতম বিস্তৃত ও দীর্ঘস্থায়ি এক সাম্রাজ্য উসমানী সালতানাত। ছয়শো বছরের বেশি সময় টিকে থাকা উসমানীরা ক্ষমতার শীর্ষে পৌঁছেছিল পঞ্চদশ ও ষোড়শ শতকে। দক্ষিণপূর্ব ইউরোপের সীমানা ছাড়িয়ে সেই ঢেউ আছড়ে পড়েছিল হাবসবুর্গ ক্ষমতার কেন্দ্র ভিয়েনার বুকে।

অন্তত তিন মহাদেশজুড়ে ছিল উসমানীদের নিয়ন্ত্রণ। এর অন্তর্ভুক্ত ইউরোপের হাঙ্গেরি, বল্কান এলাকা, গ্রীস, ইউক্রেন; মধ্যপ্রাচ্যের  সিরিয়া, ইরাক, মিশর, জেরুসালেম, ইসরাইল, আরব উপদ্বীপ এবং আফ্রিকার আলজেরিয়া। ১৫৯০ সালের হিসেবে এর আয়তন ছিল প্রায় ২০ মিলিয়ন স্কোয়ার কিলোমিটার। এরপর অবশ্য অবক্ষয়ের দিকে ধাবিত হয় এই সালতানাত। অষ্টাদশ শতাব্দী থেকে দ্রুত দুর্বল হয়ে পড়তে থাকে উসমানীরা। প্রথম বিশ্বযুদ্ধের পর সমাপ্ত হয় তাঁদের অধ্যায়। এর ধ্বংসাবশেষের ওপর এশিয়া ও ইউরোপের কিছু এলাকা নিয়ে সৃষ্টি হয় নতুন দেশ- তুরস্ক।

অভ্যুদয়

ইউরোপিয়ানদের কাছে উসমানীদের পরিচয় অটোমান নামে (Ottoman)। এর সূত্র বংশের প্রতিষ্ঠাতা, প্রথম ওসমানের নামের সাথে (Osman I; Arabic: ʿUthmān)। অটোমান এবং উসমানী এই ওসমান থেকেই উদ্ভূত। ১৩০০ খ্রিষ্টাব্দের আশপাশে তাঁর হাতেই সূচিত হয় সাম্রাজ্যের ভিত্তি।

ওসমানের পূর্বপুরুষেরা ছিলান তুর্কিশ কাই গোত্রের (Kayı tribe) লোক। ইসলাম ধর্মাবলম্বী কাই’রা ছিল সুদক্ষ যোদ্ধা। মধ্য এশিয়া থেকে তুর্কি যাযাবর অগুজদের (Oğuz) সাথে আনাতোলিয়াতে প্রবেশ করেছিলেন তাঁরা। সময়টা একাদশ শতকের মধ্যভাগ। তখন এই অঞ্চলে ছিল সেলজুকদের দাপট। ইরান আর মেসোপোটেমিয়া শাসন করতেন এই বংশের সুলতানরা। ছোট ছোট ভাগে ভাগ করা ছিল তাঁদের এলাকা, প্রত্যেক ভাগকে বলা হতো বেইলিক (beylik)। এর পরিচালনার ভার ন্যস্ত থাকত যার হাতে তাঁর উপাধি ছিল বে। ওসমানের পূর্বপুরুষেরা  সেলজুকদের হয়ে কাজ করতেন।

ওসমানের প্রাথমিক জীবনের বিশদ বিবরণ নেই বললেই চলে। অনুমান করা হয় ১২৫৮ খ্রিষ্টাব্দে কৃষ্ণসাগরের তীরবর্তী বিথাইনিয়া অঞ্চলের সগুত (Söğüt) শহরে জন্ম হয় তাঁর। ওসমানের পিতার নাম সম্ভবত এরত্রুগুল (Ertuğrul)। তিনি ছিলেন কাইদের প্রধান। সেলজুকদের প্রতি বিশ্বস্ততার কারণে সুলতান বিথাইনিয়াতে তাঁকে জমিজমা প্রদান করেন।

যুবক ওসমানের সঙ্গে শেখ এদেবালির কন্যা (Sheikh Edebali) মালহুনের (Malhun) বিয়ের কথা ওঠে। শেখ গোত্রপ্রধানের ঘনিষ্ঠ উপদেষ্টা। প্রথমে তিনি নিমরাজি ছিলেন। কিন্তু ওসমান যখন তাঁকে এক স্বপ্নের কথা বলেন তখন খুশিমনে মেয়েকে তাঁর হাতে তুলে দেন শেখ।

স্বপ্নে কী দেখেছিলেন উসমানীদের আদিপিতা? আকাশজোড়া চাঁদের আলো পড়েছে তাঁর ওপর, সেই আলোতে বুক চিরে বের হচ্ছে আদিগন্ত বিস্তৃত এক গাছ। এর প্রসারিত শাখা-প্রশাখার নিচে আশ্রয় নিয়েছে অগণিত মানুষ, বয়ে চলেছে প্রবাহমান জলস্রোত। স্বপ্নের ব্যাখ্যা শেখ দিয়েছিলেন এভাবে-ওসমানের হাতে প্রতিষ্ঠিত হবে বিশ্বব্যাপী সাম্রাজ্য। বলে রাখা ভালো, এই গল্প কিন্তু সমসাময়িক নয়, বরং ওসমানের মৃত্যুর আরো পঞ্চাশ বছর পর লিখিত।

আনাতোলিয়ার নতুন শক্তি

ত্রয়োদশ শতক থেকে দুর্বল হয়ে পড়ে সেলজুকরা। এর অন্যতম কারণ ছিল মোঙ্গল আগ্রাসন। বহু এলাকা শত্রুদের হাতে হারিয়ে একেবারেই সীমিত হয়ে পড়ে তাঁদের শাসন। আনাতোলিয়ার অনেক বে নিজ এলাকা নিয়ে গঠন করেন স্বাধীন রাজ্য। ওসমানের পূর্বসূরিরাও এই দলে ছিলেন। পূর্ব আনাতোলিয়া ছিল মোঙ্গল নিয়ন্ত্রণে, এর বাইরে বেশিরভাগ এলাকাই ছিল তাঁদের দখলে। আনাতোলিয়ার সেলজুক শাসন সীমিত ছিল রুম সালতানাতে।

১২৮০ সালে পিতার মৃত্যুর পর ওসমান হলেন গোত্রপতি। ওসমান তখন বে’দের মধ্যে সবথেকে শক্তিশালী। বিথাইনিয়াতে তখন বাইজান্টাইন আধিপত্য। তাঁদের হটাতে সেনাবাহিনী পুনর্গঠন করেন ওসমান। নিযুক্ত করেন তিনজন সীমান্তপ্রধান, যাদের উপাধি ছিল উস বে (Uç Bey/frontier commanders)। প্রত্যেককে সীমান্তের নির্দিষ্ট এলাকার দায়িত্বে ছিলেন। তাঁদের সাথে থাকত দ্রুতগতির অশ্বারোহী সেনা। শত্রু এলাকায় ঢুকে ঝটিকা অভিযান চালাতে এদের জুড়ি ছিল না।

ওসমানের একদিকে রুম আর অন্যদিকে নব্য ক্ষমতাশালি তুর্কিশ জার্মিয়ান (Germiyan) রাজ্য। দক্ষিণ-পশ্চিম আনাতোলিয়াতে শাসন করতো আইদিন (Aydın) আর কারাসি (Karası)। এরা সকলেই উসমানীদের তুলনায় অর্থ আর লোকবলে এগিয়ে।

প্রাথমিক যুগের উসমানী বাহিনীর মূল শক্তি ছিল অশ্বারোহী তীরন্দাজ। অতর্কিত আক্রমণ চালিয়ে পিছিয়ে আসাই ছিল তাদের রণকৌশল। ভারী অস্ত্রসজ্জিত পেশাদার সেনাবাহিনীর সাথে লড়াই করার মতো উপযুক্ত মালমসলার অভাব ছিল তৎকালীন উসমানীদের। বড় বড় নগর অবরোধের জন্য প্রয়োজনীয় যন্ত্রপাতিও ছিল অপ্রতুল। ফলে আইদিন, কারাসি, জার্মিয়ান বা রুমের সাথে আপাতত বিবাদ এড়িয়ে চলার নীতি গ্রহণ করেন ওসমান। এর পরিবর্তে রাজ্যবিস্তারের জন্য বিথাইনিয়ার দিকেই মনোযোগ দিলেন তিনি। উস বে’রা প্রায়শই বাইজান্টাইন এলাকায় ঢুকে আক্রমণ চালিয়ে ফিরে আসতে থাকে। বসফরাস প্রণালী আর মার্মারা সাগরের তীরবর্তী অঞ্চল ছিল তাদের মূল নিশানা।

১২৯৩ সালে মোঙ্গলদের সাথে নতুন যুদ্ধে চূড়ান্তভাবে শেষ হয়ে যায় সেলজুক শাসন। ফলে একদিকের বিপদ কেটে যায়। ওসমান এবার মনোনিবেশ করলেন কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ নাইসিয়ার (Nicaea, বর্তমান তুরস্কের ইজনিক) দিকে। ১২৯৯ সালে শহরের ওপর অবরোধ জারি করেন তিনি। কিন্তু শক্তিশালী নগর প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা দু’বছর ধরে ঠেকিয়ে রাখে তাঁকে, ফলে শেষ পর্যন্ত হার মেনে পিছিয়ে আসেন ওসমান।

তবে ১৩০২ সালে মার্মারার কাছে বাফেয়াসের (Battle of Bapheus) যুদ্ধে বাইজান্টাইনদের কপালে পরাজয় এঁকে দেন ওসমান। এর ফলে বিথাইনিয়াতে দুর্বল হয়ে যায় তাদের সামরিক শক্তি। বহু এলাকা চলে যায় ওসমানের শাসনে।

টিকে থাকা বাইজান্টাইন নগরীগুলোর অন্যতম ছিল বিথাইনিয়ার রাজধানী, প্রুসা (Prusa),বা  বর্তমান তুরস্কের বুর্সা (Bursa)। ১৩০৮ সালে প্রুসা দখলের মানসে শহর ঘেরাও করে ওসমানের সেনাদল। এক যুগের বেশি সময় চলতে থাকে লড়াই। জলপথে প্রুসাতে রসদপত্র পাঠানোর রাস্তা বন্ধ করতে আশপাশের সব বন্দর দখল করতে থাকেন ওসমান। ১৩২১ সালে সর্বশেষ বন্দরও হাতছাড়া হয়ে গেলে একেবারে বিচ্ছিন্ন হয়ে যায় প্রুসা।

ওসমান মারা যান ১৩২৩ সালে, ছেলে ওরহান (Orhan) তাঁর জায়গা নেন। বাবার পাশে জন্মভূমি সগুতে প্রথমে দাফন করা হয়েছিল ওসমানকে, পরে কবর প্রুসা/বুর্সাতে সরিয়ে আনেন ওরহান।

রাজ্যবিস্তার

সুলতান ওরহান সামরিক সংস্কারে হাত দেন। অর্থের বিনিময়ে খ্রিষ্টীয় সেনাদের দলে ভেড়ান তিনি। তাঁর হাতে পতন হয় প্রুসার, এর নতুন নাম হয় বুর্সা। উত্তর-পশ্চিম আনাতোলিয়ার বাইজান্টাইন নগরীগুলোও একে একে আত্মসমর্পণ করে তাঁর সামনে।

উসমানীদের এবার প্রতিবেশীদের ওপর ঝাঁপিয়ে পড়ে। কারাসিদের মধ্যে অন্তর্দ্বন্দ্বের সুযোগ নিয়ে ১৩৪৫ সালে ছিনিয়ে নেন তাদের রাজ্য। মার্মারার তীরবর্তী অঞ্চলে প্রতিষ্ঠিত হয় উসমানীদের একাধিপত্য।  

বাইজান্টাইন গৃহযুদ্ধ এবং উসমানী সম্প্রসারণ

ততদিনে বাইজান্টাইনদের মধ্যে আরম্ভ হয়েছে গৃহযুদ্ধ (The Byzantine civil war of 1341–1347)। এর সূত্রপাত ১৩৪১ সালের জুনে সম্রাট আন্দ্রোনিকোসের (Andronikos III Palaiologos) মৃত্যুর পর। সিংহাসনের উত্তরাধিকারী আন্দ্রোনিকাসের পুত্র জন (John V Palaiologos) নাবালক, সুতরাং তাঁর হয়ে শাসন করবেন রাজপ্রতিনিধি। জনে অভিভাবক হিসেবে সম্রাজ্ঞী অ্যানাকে (Anna of Savoy) মনোনীত করে গিয়েছিলেন আন্দ্রোনিকাস, কিন্তু শাসনকাজের ভার দিয়ে যান প্রধানমন্ত্রী কান্তাকুজেনোসকে (John VI Kantakouzenos)।

কন্সট্যান্টিনোপোলের ধর্মগুরু চতুর্দশ জন (John XIV Kalekas) এবং উচ্চপদস্থ রাজকর্মচারি এলেক্সিয়োসের (Alexios Apokaukos) এই ব্যবস্থায় সন্তুষ্ট ছিলেন না। সেপ্টেম্বরে কান্তাকুজেনোস রাজকীয় দায়িত্ব পালনে কন্সট্যান্টিনোপোলের বাইরে যেতেই সক্রিয় হলো চক্রান্তকারিরা। ক্ষমতার ভাগ না পেয়ে অ্যানা ছিলেন ক্ষ্যাপা, তাঁকে হাত করে ফেললেন জন আর এলেক্সিয়োস। কান্তাকুজেনোসকে রাজধানীতে অবাঞ্চিত ঘোষণা করে নিজেই শাসনভার তুলে নেন অ্যানা।

কান্তাকুজেনোসের সমর্থনও কম ছিল না। তাঁরা অক্টোবরে তাঁকে রাজপুত্রের পাশাপাশি সহ-সম্রাট বানিয়ে দেয়। ফলে সশস্ত্র সংঘর্ষ ছিল অবধারিত।

যুদ্ধের প্রথমদিকে অ্যানার সেনারা বেশ সাফল্য পায়। তবে কান্তাকুজেনোস সার্বিয়ার রাজা স্টেফান দুসান (Stefan Dušan) এবং আইদিনের উমর বেগের সাহায্য পেলে পাল্টে যায় পরিস্থিতি। ১৩৪৫ সালে অবশ্য স্টেফান পক্ষ পরিবর্তন করেন, উমর বেগও ফিরে যান। দৃশ্যপটে এবার আবির্ভুত হন ওরহান।

উসমানীদের সহায়তায় কান্তাকুজেনোস স্টেফান আর উমরের ধাক্কা কাটিয়ে ওঠেন। এদিকে জুন মাসে এলেক্সিয়োস গুপ্তহত্যার শিকার হলে দুর্বল হয়ে পড়ে শত্রুপক্ষ। ১৩৪৬ সালে আদ্রিয়ানোপোলে (বর্তমান এদির্ন) ঘটা করে কান্তাকুজেনোসের অভিষেক হয় সহ-সম্রাট হিসেবে। ১৩৪৭ সালের তেসরা ফেব্রুয়ারি তিনি প্রবেশ করেন কন্সট্যান্টিনোপোলে। চুক্তি হয় রাজপুত্র প্রাপ্তবয়স্ক হওয়ার আগপর্যন্ত তিনিই মূল দায়িত্ব পালন করবেন, এরপর জনের পাশে থেকে সাহায্য করবেন তাঁকে।

ওরহান এবার কড়ায় গণ্ডায় নিজের পাওনা আদায় করেন। তাঁকে থ্রেসের কর্তৃত্ব ছেড়ে দেন কান্তাকুজেনোস, তাঁর সাথা রাজকন্যা থিওডোরাকে বিয়ের কথাও পাকা হয়। বাইজান্টাইন এলাকায় উসমানীদের সমস্ত দখলকৃত এলাকার ওপর থেকেও দাবি তুলেন নেয় কন্সট্যান্টিনোপোল।

কান্তাকুজেনোস শান্তিতে থাকতে পারেননি। নতুন করে গৃহযুদ্ধ শুরু হলে ১৩৫৪ সালে পদত্যাগ করে সন্ন্যাসব্রত গ্রহণ করেন ভদ্রলোক। পুরো ঘটনার মূল ফায়দা তোলে উসমানীরা, কারণ অন্তর্দ্বন্দ্বের ফলে বাইজান্টাইন সামরিক শক্তি তলানিতে ঠেকে যায়। এর সাথে যুক্ত হয় ব্ল্যাক ডেথের আক্রমণ, সামাজিক বিশৃঙ্খলা এবং অর্থনৈতিক সমস্যা। এই সুযোগে সার্বিয়ার রাজা আলবেনিয়া, মেসিডোনিয়া আর এপিরাস ছিনিয়ে নিয়ে সার্বিয়ান সাম্রাজ্য প্রতিষ্ঠা করেন। বুলগেরিয়ানরাও বেশ কিছু এলাকা হাতিয়ে নেয়। উসমানীরা চলে আসে কন্সট্যান্টিনোপোলের কাছাকাছি।

ইউরোপিয়ান অভিযান

১৩৬২ সালে ওরহানের মৃত্যুর পর ছেলে মুরাদ ক্ষমতা নেই। প্রায় তিন দশক বল্কানে অভিযান চালিয়ে ইউরোপের বেশ কিছু এলাকা কব্জা করেন তিনি। কসোভোর যুদ্ধে সার্বিয়ানদের পরাস্ত করলেও রণক্ষেত্রে নিহত হন তিনি। পরবর্তী সুলতান বায়েজিদ রাজ্যবিস্তারের ধারা অব্যাহত রাখেন। তাঁর সময়েই বল্কান আর আনাতোলিয়া জুড়ে গড়ে ওঠে বিস্তীর্ণ সাম্রাজ্য।

বিপর্যয় এবং নবজাগরণ

সুলতান বায়েজিদ ১৪০২ সালে আঙ্কারার যুদ্ধে মোঙ্গল নৃপতি তৈমুর লঙের হাতে পরাস্ত ও ধৃত হন। বন্দীশালাতেই মৃত্যু হয় তাঁর। এরপর শুরু হয় রাজ্য নিয়ে যুবরাজদের মধ্যে গৃহযুদ্ধ। প্রায় এগার বছর লড়াইয়ের পর বিজয়ী ছেলে প্রথম মেহমেদ নামে ধারণ করেন রাজমুকুট। তৈমুরের হাতে বিধ্বস্ত উসমানী সাম্রাজ্য পুনর্গঠন করেন তিনি ও ছেলে দ্বিতীয় মুরাদ। তাদের উত্তরাধিকারী দ্বিতীয় মেহমেদ (Mehmed the Conqueror) ১৪৫৩ সালে কন্সট্যান্টিনোপোল জয় করেন।

মেহমেদের সন্তান দ্বিতীয় বায়েজিদের সময় যুদ্ধবিগ্রহ তেমন একটা হয়নি। এরপর প্রথম সেলিম মিশরের মামলুক সালতানাতকে পরাজিত ও সাম্রাজ্যভুক্ত করেন। ১৫২০ সালে সেলিমের মৃত্যুর পর নতুন সুলতান হন সুলেইমান, ইতিহাস যাকে মনে রেখেছে সুলেইমান দ্য ম্যাগনিফিসেন্ট নামে।

References
This post was viewed: 20

আরো পড়ুন