বিদেশে পাচার হওয়া অর্থ ফেরত আনার কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে বলে জানিয়েছেন বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর মুস্তাফুর রহমান। মঙ্গলবার (১০ মার্চ) এ বিষয়ে দেশের বিভিন্ন ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালকদের (এমডি) সঙ্গে বৈঠক শেষে তিনি এ মন্তব্য করেন।
কেন্দ্রীয় ব্যাংকে অনুষ্ঠিত ওই বৈঠকে পাচার হওয়া অর্থ শনাক্তকরণ, আইনি প্রক্রিয়া এবং আন্তর্জাতিক পর্যায়ে সমন্বয় জোরদার করার বিষয়ে আলোচনা হয়। বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে গভর্নর বলেন, অর্থ পাচারের বিরুদ্ধে চলমান উদ্যোগ আরও জোরদার করা হবে এবং বিদেশে সরিয়ে নেওয়া অর্থ দেশে ফিরিয়ে আনতে প্রয়োজনীয় সব পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে।
এবিবি চেয়ারম্যান মাসরুর আরেফিন জানান, পাচার হওয়া অর্থ পুনরুদ্ধারে সংশ্লিষ্ট ব্যাংকগুলো আন্তর্জাতিক আইন সংস্থা নিয়োগ দিচ্ছে। ইতোমধ্যে যেসব ব্যাংকের মাধ্যমে অর্থ পাচারের অভিযোগ উঠেছে, তারা ৮ থেকে ১০টি আন্তর্জাতিক ল ফার্ম নিয়োগ করেছে। পাশাপাশি আন্তর্জাতিক আদালতে মামলা দায়েরের প্রস্তুতিও চলছে।
ব্যাংকাররা বৈঠকে জানান, বিদেশে পাচার হওয়া অর্থ ফেরত আনতে আইনি জটিলতা ও প্রক্রিয়াগত কারণে তিন থেকে পাঁচ বছর পর্যন্ত সময় লাগতে পারে। তবে সরকার পরিবর্তন হলেও এই প্রক্রিয়া বন্ধ হবে না বলে তারা আশাবাদ ব্যক্ত করেন।