Ridge Bangla

ঢাকার ২০ আসনের ২৩৮ মনোনয়নপত্র যাচাই–বাছাই আজ

আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ঢাকা জেলার ২০টি আসনে দাখিল হওয়া মোট ২৩৮টি মনোনয়নপত্র আজ শনিবার (৩ জানুয়ারি) যাচাই–বাছাই করা হবে। রাজধানীর দুটি ভিন্ন স্থানে একযোগে এই কার্যক্রম পরিচালিত হবে।

ঢাকা মহানগরীর অন্তর্ভুক্ত ১৩টি আসনের মনোনয়নপত্র যাচাই–বাছাই হবে সেগুনবাগিচায় অবস্থিত রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয়ে। অপরদিকে, বাকি আসনগুলোর মনোনয়ন যাচাই কার্যক্রম অনুষ্ঠিত হবে আগারগাঁওয়ের নির্বাচন প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউট (ইটিআই)–এর সম্মেলন কক্ষে।

যাচাই–বাছাইয়ের সময় প্রার্থীদের যোগ্যতা ও অযোগ্যতা, হলফনামায় দেওয়া তথ্য, আয়কর ও ঋণসংক্রান্ত বিষয়সহ প্রয়োজনীয় কাগজপত্র পর্যালোচনা করবেন রিটার্নিং কর্মকর্তারা। এসব বিবেচনায় মনোনয়নপত্র বৈধ ঘোষণা বা বাতিলের সিদ্ধান্ত জানানো হবে।

বাছাইয়ে যেসব প্রার্থীর মনোনয়ন বাতিল হবে, তারা নির্ধারিত সময়ের মধ্যে নির্বাচন কমিশনে আপিল করার সুযোগ পাবেন। আপিল নিষ্পত্তির পর কমিশনের নির্দেশনা অনুযায়ী চূড়ান্ত প্রার্থী তালিকা প্রকাশ করা হবে।

ঢাকা বিভাগীয় কমিশনার ও রিটার্নিং কর্মকর্তা শরফ উদ্দিন আহমদ চৌধুরী জানান, শনিবার মনোনয়নপত্র যাচাই–বাছাই সংক্রান্ত আনুষ্ঠানিক সিদ্ধান্ত ঘোষণা করা হবে। এরই মধ্যে সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তারা প্রার্থীদের হলফনামাসহ প্রয়োজনীয় সব নথি প্রস্তুত করে রেখেছেন।

ঢাকার বিভিন্ন আসনে জমা পড়া মনোনয়নপত্রের সংখ্যা হলো ঢাকা-১ এ ৮টি, ঢাকা-২ এ ৩টি, ঢাকা-৩ এ ১৬টি, ঢাকা-৪ এ ৮টি, ঢাকা-৫ এ ১৬টি, ঢাকা-৬ এ ৭টি, ঢাকা-৭ এ ১৫টি, ঢাকা-৮ এ ১২টি, ঢাকা-৯ এ ১৪টি, ঢাকা-১০ এ ১৩টি, ঢাকা-১১ এ ১১টি, ঢাকা-১২ এ ১৮টি, ঢাকা-১৩ এ ১১টি, ঢাকা-১৪ এ ১৩টি, ঢাকা-১৫ এ ৯টি, ঢাকা-১৬ এ ১৩টি, ঢাকা-১৭ এ ১৭টি, ঢাকা-১৮ এ ১৭টি, ঢাকা-১৯ এ ১১টি এবং ঢাকা-২০ আসনে ৭টি মনোনয়নপত্র জমা পড়েছে।

নির্বাচন কমিশন সূত্র জানায়, সারা দেশে আগামী ৪ জানুয়ারি মনোনয়নপত্র যাচাই–বাছাই কার্যক্রম শেষ হবে। এরপর ৫ থেকে ৯ জানুয়ারি রিটার্নিং কর্মকর্তার আদেশের বিরুদ্ধে আপিল দাখিল করা যাবে। আপিল নিষ্পত্তি হবে ১০ থেকে ১৮ জানুয়ারির মধ্যে। প্রার্থিতা প্রত্যাহারের শেষ সময় ২০ জানুয়ারি। ২১ জানুয়ারি চূড়ান্ত প্রার্থী তালিকা প্রকাশ ও প্রতীক বরাদ্দ দেওয়া হবে। নির্বাচনী প্রচারণা চলবে ২২ জানুয়ারি থেকে ভোট শুরুর ৪৮ ঘণ্টা আগে, অর্থাৎ ১০ ফেব্রুয়ারি সকাল সাড়ে ৭টা পর্যন্ত। ভোট গ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে ১২ ফেব্রুয়ারি সকাল সাড়ে ৭টা থেকে বিকেল সাড়ে ৪টা পর্যন্ত।

এদিকে, মনোনয়ন যাচাই–বাছাইয়ের সময় একজন প্রার্থীর সঙ্গে সর্বোচ্চ পাঁচজন ব্যক্তি (প্রস্তাবক, সমর্থক ও আইনজীবীসহ) উপস্থিত থাকতে পারবেন। গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ (আরপিও) ১৯৭২–এর ১২ নম্বর অনুচ্ছেদ অনুযায়ী ঋণখেলাপি হওয়া, আয়কর সংক্রান্ত জটিলতা, হলফনামায় ভুল তথ্য প্রদান বা ১ শতাংশ ভোটারের সমর্থনে ত্রুটি থাকলে মনোনয়নপত্র বাতিল হতে পারে। তবে সাবেক সংসদ সদস্যরা স্বতন্ত্র প্রার্থী হলে তাদের ক্ষেত্রে ১ শতাংশ ভোটারের সমর্থনের শর্ত প্রযোজ্য হবে না।

This post was viewed: 23

আরো পড়ুন