Ridge Bangla

ব্যাবিলন সাম্রাজ্যের উত্থান-পতন

পৃথিবীর ইতিহাসে অন্যতম প্রাচীন শহর ব্যাবিলন। ঐতিহাসিকদের লেখা তো বটেই, ধর্মগ্রন্থেও উল্লেখ আছে এই মহানগরের। ব্যাবিলনের সর্বপ্রাচীন তথ্যসূত্র সার্গন অব আক্কাদের সময়কালের (Sargon of Akkad), সেটাও খ্রিষ্টের জন্মের অন্তত দু’হাজার বছর আগে। মেসোপোটেমিয়াজুড়ে তখন এক উত্তাল সময়। কেন্দ্রীয় সুমেরিয় শাসন ভেঙে পড়েছে, নগররাষ্ট্রগুলো রাজ্য পরিচালনা করছে স্বাধীনভাবে। ছোট্ট শহর ব্যাবিলন তখন কাজালু (Kazallu) নামে এক নগররাষ্ট্রের অধীনে। ফোরাতের (Euphrates) তীরের এই বন্দরনগরী ব্যবহৃত হতো বাণিজ্যকেন্দ্র হিসেবে।

অ্যামোরাইট

সুমেরিয় সভ্যতার অবক্ষয়কালে মেসোপোটেমিয়ার দক্ষিণাঞ্চলে বাসা বেঁধেছিল বেশ কিছু যাযাবর গোষ্ঠী। এদের অন্যতম অ্যামোরাইট (Amorites), যার আক্ষরিক অনুবাদ দাঁড়ায় পশ্চিমের লোক। তাদেরই এক নেতা সুমুয়াবাম (Sumuabum) কাজালুর থেকে ছিনিয়ে নেন ব্যাবিলন, পত্তন করেন অ্যামোরাইটদের নিজস্ব রাজ্যের।

সুমুয়াবামের উত্তরসূরি সুমু-লা-লিউ (Sumu-la-ilu) ব্যাবিলনভিত্তিক রাজ্যের প্রাতিষ্ঠানিক কাঠামো স্থাপন করেন। তাঁর শাসনামল ছিল প্রায় ত্রিশ বছর, ১৮৮০-১৮৪৫ খ্রিষ্টপূর্বাব্দ। ব্যাবিলনের প্রথম রাজবংশ গণনা শুরু তাঁর থেকেই। এই সময় ব্যবসা-বাণিজ্যের প্রসার ঘটে, সম্পদশালী বন্দর হিসেবে প্রসিদ্ধি লাভ করে ব্যাবিলন।

সিন-মুবালিত (Sin-Muballit) নামে এক রাজা ব্যাবিলনের সৌন্দর্যবর্ধন করেছিলেন। প্রতিবেশি নগর রাষ্ট্রে লার্সার (Larsa) সাথেও যুদ্ধে জড়ান তিনি। তবে ফলাফল ছিল সিন-মুবালিতের বিপক্ষে, ফলে সিংহাসন ত্যাগে বাধ্য হন তিনি। নতুন রাজা হলেন হাম্মুরাবি। তাঁর সময় থেকে ব্যাবিলন ও পার্শ্ববর্তী এলাকার নাম হয় মাত আক্কাদ (Mât Akkadî), বা আক্কাদের রাজ্য। এই মাত আক্কাদই পরবর্তী ইতিহাসে ব্যাবিলনিয়ান সাম্রাজ্য নামে পরিচিতি পায়।

উৎকর্ষের শীর্ষে

লার্সার সাথে চুক্তিতে আবদ্ধ ছিল ব্যাবিলন। এলাম শহরের আক্রমণ ঠেকাতে তারা হাম্মুরাবিকে সৈন্য পাঠাতে আহ্বান করে। নতুন রাজা লার্সাকে সাহায্য করলেন বটে, কিন্তু এলামের লোকেরা চলে যেতেই ভোল পাল্টে ফেলেন তিনি। হাম্মুরাবির সেনাদল লার্সার অন্যতম শহর ইসিন আর উরুক দখল করে নেয়। অন্য প্রতিবেশী লাগাশ আর নিপ্পুরের সাথে জোট করে এরপর খোদ লার্সাই কব্জা করেন ব্যাবিলনের রাজা।

তবে হাম্মুরাবির জোট করার উদ্দেশ্যই ছিল শক্তিশালী শত্রুকে বশীভূত করা। সেই কাজ সম্পন্ন হতেই জোটসঙ্গীদের ওপর ঝাঁপিয়ে পড়তেন তিনি। এই ফর্মুলায় ১৭৫৫ খ্রিষ্টাব্দ নাগাদ মেসোপোটেমিয়ার পুরোটাই নিয়ন্ত্রণে নিয়ে আসে ব্যাবিলন।

হাম্মুরাবির সময় ব্যাবিলন পরিণত হয় বিশ্বের সর্ববৃহৎ মহানগরে। প্রায় এক লাখ লোক বাস করতো নগরপ্রাচীরের ভেতর। দোকানপাট ছিল অগণিত। শাসক হিসেবেও বিচক্ষণ ছিলেন হাম্মুরাবি। ন্যয়বিচার নিশ্চিত করতে নাগরিকদের জন্য ইতিহাসের সর্বপ্রথম আইনবিধি (law codes) প্রণয়ন করেন তিনি।

অবক্ষয়

হাম্মুরাবি রাজত্ব সম্প্রসারণ করেছিলেন বটে, তবে সেটা টেকসই ছিল না। বিশেষ করে দক্ষিণ মেসোপোটেমিয়া একেবারেই উন্মুক্ত ছিল শত্রুপক্ষের সামনে, সেখানে ছিল না কোনো প্রাকৃতিক রক্ষাকবচ। হাম্মুরাবির উত্তরাধিকারী সামসু-ইলিউনার সময় আক্কাদের এক রাজা ইলুম-মা-ইলি সেই এলাকা কেড়ে নেন। পরবর্তী ২৭২ বছর ব্যাবিলনের আওতার বাইরে ছিল দক্ষিণ মেসোপোটেমিয়া।

ততদিনের ব্যাবিলনের প্রতিপক্ষ হয়ে উঠেছিল বেশ কিছু শক্তি। আনাতোলিয়াতে হিট্টাইট সাম্রাজ্য, ইরানের জাগ্রোস পর্বতশ্রেণীর কাসিত (Kassite) সবার নজর সমৃদ্ধ ব্যাবিলনের দিকে। চারদিকে শত্রুবেষ্টিত হয়ে ক্রমেই দুর্বল হয়ে পড়ে এই সাম্রাজ্য। ১৫৯৫ খ্রিষ্টাব্দ অবধি হাম্মুরাবির বংশধররা ক্ষমতা ধরে রাখতে পেরেছিলেন, এরপর হিট্টাইট সেনাবাহিনীর হাতে পতন হয় সাম্রাজ্যের সিংহভাগ অংশের। এর সাথেই শেষ হয় ব্যাবিলনের আদিযুগ (Old Babylonian period)।

হিট্টাইট রাজা প্রথম মুর্সিলিস (Mursilis I) ফোরাতের তীর ধরে পৌঁছে গিয়েছিলেন ব্যাবিলনের প্রবেশদ্বার পর্যন্ত। তার সৈন্যরা তছনছ করে দেয় এই মহানগরী। চূড়ান্ত অপমান হিসেবে ব্যাবিলনের প্রধান দেবতা মার্দুকের মুর্তি লুটে নিয়ে যায় মন্দির থেকে। তবে তারা ফিরে যাওয়ার পরেও শান্তি মেলেনি, কারণ সুযোগ বুঝে তখন কাসিতরাও হাজির হয়। ব্যাবিলন দখল করে এর নতুন নাম দেয় তারা- কারানদুনিয়াশ (Karanduniash)।

কাসিতরা অবশ্য ব্যাবিলনের প্রশাসনিক কাঠামো ঠিক রেখে সাম্রাজ্য পুনর্গঠনে মনোযোগী হয়। এমনকি তাদের দেবদে-বীর উপাসনাও শুরু করে। তাঁদের প্রথম রাজা আগুম-কাক্রিম (Agum-Kakrîme) নাকি হিট্টাইটদের পরাস্ত করে মার্দুকের মূর্তি ফিরিয়ে এনেছিলেন। তবে ব্যাবিলনের ক্ষয় ধীর করলেও একেবারে বন্ধ করতে সক্ষম হয়নি কাসিতরা। পারস্য ঘিরে গড়ে ওঠা আসিরিয়ানদের ছায়ায় ঢাকা পড়ে তারা। সামরিক দিক থেকে দুর্বল হয়ে পড়া ব্যাবিলন ১১৫৯ খ্রিষ্টপূর্বাব্দে আবারো আক্রান্ত হয় এলামের হাতে। এবারও শহরে তাণ্ডব চালায় শত্রুপক্ষ।

আসিরিয় শাসন

ত্রয়োদশ খ্রিষ্টপূর্বাব্দ থেকে আসিরিয় রাজাদের বশ্যতা স্বীকার করতে বাধ্য হন ব্যাবিলনের শাসকেরা। আসিরিয়রা যথেষ্ট নমনীয়ভাবে শাসন করত, কারণ ব্যাবিলনের মন্দিরগুলোকে পবিত্র মনে করতো তারা। এরপরেও আসিরিয় বিরোধী মনোভাব ছিল প্রবল, সেজন্য বিদ্রোহ হতো প্রায়শই। অতিষ্ঠ হয়ে আসিরিয় রাজা সেনেচরিব (Sennacherib) ৬৮৯ খ্রিষ্টপূর্বাব্দে ব্যাবিলন ছারখার করে দেন। এতে উল্টো তার রাজদরবারেই লোকরাই ক্ষেপে যায়।

সেনেচরিব নিহত হন মেজো ছেলের হাতে। সিংহাসনের লড়াইয়ে অবশ্য জয় পায় ছোট ছেলে, এশারহাদন (Esarhaddon)। রাজা নিজ দায়িত্বে ব্যাবিলন মেরামত করেন।

এশারহাদন গৃহযুদ্ধ এড়াতে নিজের দুই ছেলেকে রাজ্য ভাগ করে দেন। এক ছেলে আশুরবানিপালকে (Ashurbanipal) আসিরিয়ার ক্ষমতা দেন, অন্য ছেলে শামাশ-শুম-উকিন (Shamash-shum-ukin) পেলেন ব্যাবিলন। পিতার মৃত্যুর পর ষোল বছর বজায় ছিল এই বিভাজন, এরপর শামাশ-শুম-উকিন আরম্ভ করেন যুদ্ধ। প্রায় চার বছর রক্তক্ষয়ী লড়াইয়ের পর জয়ী হন আশুরবানিপাল। তাঁর প্রতিনিধি কান্দালানু (Kandalanu) ব্যাবিলন শাসন করতে উপস্থিত হন। তাঁর বিরুদ্ধে বিদ্রোহ দেখা দিলে আসিরিয় সম্রাট শক্তহাতে বিরোধীদের দমন করেন।

নতুন ব্যাবিলন

আশুরবানিপালের পর আসিরিয় সাম্রাজ্যের শক্তি খর্ব হয়। ৬২৭ খ্রিষ্টপূর্বাব্দে তৎকালীন আসিরিয় সম্রাট ব্যাবিলনের জন্য দুজন প্রশাসক নিয়োগ দেন, সিন-সুমলিসির (Sin-šumlišir) এবং সিন-সার-ইস্কুন (Sin-šar-iškun)। তাদের বিরুদ্ধে একাট্টা হয় ব্যাবিলননবাসী, নেতৃত্ব নেন এক সেনাপতি নাবোপোলাসের (Nabopolassar)। আসিরিয় প্রতিনিধিদের বহিষ্কার করা হয় শহর থেকে। ৬২৬ খ্রিষ্টপূর্বাব্দের ২৩ নভেম্বর নাবোপোলাসের ব্যাবিলনের রাজা হিসেবে অভিষিক্ত হন, সূচনা করেন ব্যাবিলনের নতুন যুগের (Neo-Babylonian Empire)।

আসিরিয়ার সাথে যুদ্ধ ছিল চলমান। ৬১৬ খ্রিষ্টপূর্বাব্দে ফোরাতের সামনে তাদের নাজেহাল করেন নাবোপোলাসের। পরের বছর আসিরিয়ার ভেতর আক্রমণ চালায় তার সেনারা, শত্রুদের অন্যতম শহর আসুরের ওপর জারি করে অবরোধ। প্রাথমিকভাবে ব্যাবিলনকে হটিয়ে দেয় আসিরিয়রা। কিন্তু নতুন বিপদ উপস্থিত হয় যখন মেদেস নামে আরেক রাজ্য হামলা চালিয়ে বসে। তারা ঠিকই আসুর ছিনিয়ে নেয়। এই সময় আবার দেখা দেন নাবোপোলাসের। মেদেসের রাজা সাইক্সারেসের (Cyaxares) সাথে মৈত্রীচুক্তি স্বাক্ষর করেন তিনি। ব্যাবিলনের ঐতিহাসিক বেরোসাসের (Berossus) দেয়া তথ্য অনুযায়ী দুই রাজা বৈবাহিক সম্পর্ক স্থাপনের মাধ্যমে পোক্ত করেন মিত্রতা। ব্যাবিলনের রাজপুত্র নেবুচাদনেজারের (Nebuchadnezzar) সাথে বিয়ে হয় মেদেসের রাজকন্যা আমিতিসের।

মেদেস আর ব্যাবিলন মিলে আসিরিয়দের ওপর চাপ অব্যাহত রাখে। ৬১২ খ্রিস্টপূর্বাব্দে শত্রুর রাজধানী নিনেভেহ অবরোধ করে তারা। তিন মাস পর পতন হয় শহরের, আসিরিয়দের শেষ রাজা আসুর-উবালিত নির্বাসিত হন মিশরে। তবে ফারাওয়ের সহযোগিতায় সেনাবাহিনী নিয়ে সাত বছর পরেই রাজ্য উদ্ধারে ফিরে আসেন তিনি। তাকে পরাস্ত করেন যুবরাজ নেবুচাদনেজার্‌ কার্চেমিশের যুদ্ধে।

সেই বছরেই মারা যান নেবোপোলাসের। দ্বিতীয় নেবুচাদনেজার নামে তার সন্তান সিংহাসনে বসেন। সামরিক অভিযান চালিয়ে ধীরে ধীরে প্রাক্তন আসিরিয়ার প্রায় সব এলাকা কব্জা করেন তিনি। ৫৯৭ খ্রিষ্টপূর্বাব্দে তার হাতে পতন ঘটে জেরুসালেমের। দশ বছর পর নেবুচাদনেজারের বিরুদ্ধে বিদ্রোহ করে নগরবাসীরা। রুদ্ররূপে আবির্ভূত হন ব্যাবিলনের সম্রাট, জেরুসালেম থেকে প্রায় সব ইহুদিদের ধরে নিয়ে যাওয়া হয় ব্যাবিলনে। তাদের ধর্মগ্রন্থে এই ঘটনা ব্যাবিলনিয়ান নির্বাসন নামে (Babylonian Captivity) পরিচিত। বলে রাখা ভালো- এর কোনো প্রত্নতাত্ত্বিক প্রমাণ এখনো মেলেনি।

দীর্ঘদিন শাসনের পর ৫৬২ খ্রিষ্টপূর্বাব্দে মারা যান নেবুচাদনেজার। রাজপুত্র আমুল-মারদুক (Amel-Marduk) স্বল্প সময়ের জন্য রাজদণ্ড হাতে নেন, এরপরেই খুন হন বোনজামাই নেরিগ্লিসারের (Neriglissar) হাতে। মাত্র তিন বছর শাসন করেছিলেন নেরিগ্লিসার, এর মধ্যেই আনাতোলিয়ায় আগ্রাসন চালিয়ে সিলিসিয়া দখল করেন। কিন্তু প্রাসাদ ষড়যন্ত্রে নাবোনিদাসের (Nabonidus) কাছে ক্ষমতা হারান তিনি। নাবোনিদাস আরব উপদ্বীপ অবধি বিস্তৃত করেন সাম্রাজ্য, জর্দান কেন্দ্রিক নাবাতিয়া রাজ্য তার বশ্যতা স্বীকার করে।

পারস্য ঘিরে তখন উদ্ভব হচ্ছে নতুন শক্তির, একিমিনিড সাম্রাজ্য। দূরদৃষ্টিসম্পন্ন নাবোনিদাস তাদের মোকাবেলায় মিত্রের সন্ধান করছিলেন। এর মধ্যেই একিমিনিড রাজা সাইরাস (Cyrus the Great) ৫৫০ খ্রিষ্টপূর্বাব্দে মিদিয়া জয় করেন।

ব্যাবিলনের পতন

ব্যাবিলনন দখলের দীর্ঘ প্রস্তুতি নিলেন সাইরাস। ৫৩৯ খ্রিষ্টপূর্বাব্দে শহরের বাইরে ছাউনি ফেলল একিমিনিড সেনারা। সুউচ্চ দেয়ালবেষ্টিত মহানগর ছিল দুর্ভেদ্য, তাই ভিন্ন কৌশল নিলেন সাইরাস। বাঁধ দিয়ে বদলে দেয়া হলো ফোরাতের গতিপথ, ফলে নগরপ্রাচীরের সামনে দিয়ে বয়ে চলা নদী হাঁটার উপযোগী হয়ে যায়। রাতের বেলা ব্যাবিলনবাসী যখন ধর্মীয় উৎসবে মগ্ন, তখন সাইরাসের সেনারা নদীতে হেঁটে নগরপ্রাচীরের নিচ দিয়ে পার হয়ে এলো। সঙ্ঘর্ষের পর সাইরাসই বিজয়ী হলেন।

সাইরাস ও তাঁর উত্তরসূরিরা ব্যাবিলনের সমৃদ্ধ ঐতিহ্যের প্রতি শ্রদ্ধাশীল ছিলেন। আকিমেনিডদের অন্যতম প্রশাসনিক রাজধানী হয়ে উঠে এই নগরী। শিল্প-সাহিত্যে প্রভূত উন্নতি সাধন করে ব্যাবিলন।

৩৩১ খ্রিস্টপূর্বাব্দে আকিমেনিডদের তছনছ করে দেন মেসিডোনিয়ার রাজা, অ্যালেক্সান্ডার দ্য গ্রেট। ফলশ্রুতিতে ব্যাবিলনসহ পুরো সাম্রাজ্যই তার শাসনাধীনে চলে আসে। তিনিও ব্যাবিলনের মর্যাদা অব্যাহত রাখেন। তবে অ্যালেক্সান্ডারের পর ধীরে ধীরে হারিয়ে যেতে থাকে মহানগরের শান-শওকত। পার্থিয়ান সাম্রাজ্য যখন মেসোপোটেমিয়া শাসন করছিল তখন ব্যাবিলন পরিণত হয় ঘুণে ধরা ধ্বংসাবশেষে। সাসানিদদের সময় আগের জৌলুশ সামান্য হলেও ফিরে পায় তারা, তবে সেটা হারিয়ে যেতেও সময় লাগেনি। ৬৫১ খ্রিস্টাব্দ নাগাদ মেসোপোটেমিয়া চলে যায় মুসলমানদের হাতে। কালের পরিক্রমায় পৃথিবীর বুক থেকে হারিয়ে যায় ব্যাবিলন।

References
This post was viewed: 20

আরো পড়ুন