আসন্ন মৌসুমে কৃষিখাতে উপকরণ ঘাটতি যেন না হয় এ লক্ষ্যেই প্রায় ৭৫ হাজার মেট্রিক টন সার কেনার দুটি প্রস্তাব অনুমোদন করেছে অন্তর্বর্তী সরকার। মোট ব্যয় ধরা হয়েছে ৩৯৯ কোটি ৫০ লাখ টাকারও বেশি। সোমবার (২৪ নভেম্বর) সচিবালয়ে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের সম্মেলন কক্ষে সরকারের ক্রয়সংক্রান্ত উপদেষ্টা পরিষদ কমিটির ৪৭তম সভায় এ সিদ্ধান্ত হয়।
সভায় জানানো হয়, শিল্প মন্ত্রণালয়ের অধীন বাংলাদেশ কেমিক্যাল ইন্ডাস্ট্রিজ কর্পোরেশন (বিসিআইসি) প্রস্তাব অনুযায়ী ২০২৫–২৬ অর্থবছরের ১০ম লট হিসেবে সৌদি আরবের স্যাবিক অ্যাগ্রি–নিউট্রিয়েন্টস কোম্পানি থেকে ৪০ হাজার টন বাল্ক গ্রানুলার ইউরিয়া আমদানি করা হবে। এটির জন্য ব্যয় নির্ধারণ করা হয়েছে ১৯৯ কোটি ৭৫ লাখ টাকা।
অন্যদিকে কৃষি মন্ত্রণালয়ের অধীন বাংলাদেশ কৃষি উন্নয়ন কর্পোরেশন (বিএডিসি) প্রস্তাব অনুযায়ী রাশিয়ার জেএসসি ফরেন ইকোনমিক করপোরেশন (প্রোডিনটর্গ) থেকে সরকার–টু–সরকার (জি–টু–জি) চুক্তির আওতায় ৭ম লট হিসেবে ৩৫ হাজার টন এমওপি সার আমদানি করা হবে। এ ক্ষেত্রেও চুক্তিমূল্য ধরা হয়েছে ১৯৯ কোটি ৭৫ লাখ টাকা।
কমিটি বিস্তারিত পর্যালোচনা শেষে উভয় প্রস্তাব অনুমোদনের সুপারিশ করে। সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানান, ফসল উৎপাদনের গুরুত্বপূর্ণ মৌসুমে সার সরবরাহে কোনো ধরনের অস্থিরতা যাতে না দেখা দেয়, সে জন্যই এ সিদ্ধান্ত অত্যন্ত জরুরি। সার সরবরাহে স্থিতিশীলতা কৃষি উৎপাদন ও বাজার দুটোকেই ইতিবাচকভাবে প্রভাবিত করবে বলে মনে করছেন নীতিনির্ধারকরা।