ফরিদপুরের সালথা উপজেলার রাঙ্গারদিয়া গ্রামে স্কুল চত্বরের গাছ কাটা নিয়ে দুই পক্ষের মধ্যে দফায় দফায় সংঘর্ষে নারীসহ অন্তত ২০ জন আহত হয়েছেন। সংঘর্ষ চলেছে রোববার (৪ জানুয়ারি) বেলা ১১টা থেকে দুপুর দেড়টা পর্যন্ত।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, দীর্ঘদিন ধরে মো. জালাল মোল্যা ও স্থানীয় ইউপি সদস্য মো. নান্নু মাতুব্বরের মধ্যে এলাকায় আধিপত্য বিস্তার নিয়ে বিরোধ চলে আসছে। এরই ধারাবাহিকতায় গত শনিবার (৩ জানুয়ারি) নান্নু মাতুব্বরের শ্রমিকরা রাঙ্গারদিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের চত্বরে থাকা ৮টি মেহগনি গাছ বিক্রির উদ্দেশ্যে কেটে ফেলেন। বিষয়টি জানাজানি হলে পুলিশ গিয়ে গাছগুলো উদ্ধার করে স্কুল কর্তৃপক্ষের হেফাজতে রাখেন।
রোববার সকালে সালথা উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার মোহা. তাশেম উদ্দিন উভয়পক্ষের নেতাদের নিয়ে তদন্ত সভা ডেকে বসেন। সভার সময় উভয়পক্ষের সমর্থকদের মধ্যে বাগবিতণ্ডা শুরু হয়। একপর্যায়ে জালালের সমর্থক মো. বাদশা মোল্যা ও তার স্ত্রীকে মারধর করে নান্নু মাতুব্বরের সমর্থকরা। এর ফলে দুই পক্ষের মধ্যে আড়াই ঘণ্টা ধরে দফায় দফায় সংঘর্ষ হয়। সংঘর্ষ চলাকালীন উভয়পক্ষের অন্তত ১০টি বাড়ি ভাঙচুরের শিকার হয়।
আহতদের মধ্যে অন্তত ১০ জনকে ফরিদপুর মেডিকেল কলেজসহ বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। সালথা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. বাবলুর রহমান খান জানান, পুলিশ দ্রুত পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে এনেছে এবং বর্তমানে এলাকায় শান্তি বিরাজ করছে।