যুদ্ধবিধ্বস্ত মিয়ানমারে পাঁচ বছর পর অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে নির্বাচন। গণঅভ্যুত্থানের পর রোববার (২৮ ডিসেম্বর) প্রথমবারের মতো এই নির্বাচন ঘিরে বিতর্কেরও শেষ নেই।
এই ভোটকে শুরু থেকেই ‘শাম নির্বাচন’ বলে আখ্যা দিচ্ছে বিরোধী দল ও আন্তর্জাতিক মহল। নির্বাচনের আগেই দেশটির সবচেয়ে জনপ্রিয় দল ন্যাশনাল লিগ ফর ডেমোক্রেসি ভেঙে দেওয়া হয়েছে। এই দলের নেত্রী অং সান সু চি এখনো অজ্ঞাত স্থানে বন্দি রয়েছেন।
এবারের নির্বাচন মাসজুড়ে তিন ধাপে অনুষ্ঠিত হচ্ছে। তবে ভোট হলেও গৃহযুদ্ধে বিপর্যস্ত অনেক অঞ্চলে ভোটগ্রহণ সম্ভব হচ্ছে না। পাশাপাশি যেসব অঞ্চলে ভোট হচ্ছে, সেখানেও ভয় ও দমন-পীড়নের অভিযোগ তুলছে বিভিন্ন রাজনৈতিক দল। ফলে এই নির্বাচনের গ্রহণযোগ্যতা নিয়ে গভীর প্রশ্ন থেকেই যাচ্ছে।
প্রসঙ্গত, মিয়ানমার দীর্ঘদিন ধরেই গৃহযুদ্ধে বিপর্যস্ত। দেশটির রাষ্ট্রক্ষমতা কব্জা করে ক্ষমতা টিকিয়ে রেখেছে সামরিক বাহিনী। দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে জান্তা সরকারের বিরুদ্ধে সশস্ত্র যুদ্ধ চালিয়ে যাচ্ছে বিভিন্ন সম্প্রদায়ের যোদ্ধারা। এর মধ্যেই অনুষ্ঠিত হচ্ছে দেশটির নির্বাচন। বিশ্লেষকেরা এই নির্বাচনকে নিয়ন্ত্রিত নির্বাচন বলেই অবিহিত করছেন।