সরকারি কলেজ, মাধ্যমিক বিদ্যালয়, জেলা ও উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসগুলোতে সরকারের ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে কেনাকাটার নির্দেশনা প্রদান করা হয়েছে।
ভুয়া বিল-ভাউচার দেখিয়ে শিক্ষা খাতে অনিয়ম ঠেকাতে মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তরের এক অফিস আদেশে এ নির্দেশনা দেওয়া হয়।
আদেশে বলা হয়, বিচার ও সংসদবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের অধীন লেজিসলেটিভ ও সংসদবিষয়ক বিভাগের প্রকাশিত পাবলিক প্রকিউরমেন্ট আইন, ২০০৬ ও পাবলিক প্রকিউরমেন্ট বিধিমালা, ২০২৫, যা ২০২৫ খ্রিষ্টাব্দের ২৮ সেপ্টেম্বর থেকে কার্যকর হয়, তা অনুসরণ করতে হবে। পাবলিক প্রকিউরমেন্ট বিধিমালার বিধি ১৫০ (১) অনুযায়ী উল্লেখ আছে যে, আইনের উদ্দেশ্য পূরণকল্পে এই আইনের অধীন ইলেকট্রনিক গভর্নমেন্ট প্রকিউরমেন্ট (ই-জিপি) পোর্টালে প্রক্রিয়াযোগ্য সব সরকারি ক্রয় সরকারের নির্ধারিত নীতিমালা অনুসরণ করে ইলেকট্রনিক পরিচালন পদ্ধতিতে সম্পন্ন করতে হবে।
এতে আরও বলা হয়, ব্যতিক্রমী ক্ষেত্রে ইলেকট্রনিক পরিচালন পদ্ধতিতে কোনো ক্রয়কারী ক্রয় প্রক্রিয়াকরণে অসামর্থ্য হলে বাংলাদেশ পাবলিক প্রকিউরমেন্ট অথরিটি (বিপিপিএ)-এর পূর্বানুমোদন গ্রহণ করতে হবে। বিধান অনুসারে মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক, ক্রয়কারী সংস্থার প্রধানের আওতাধীন সব প্রকল্প, আঞ্চলিক কার্যালয়, সব সরকারি কলেজ, সব মাধ্যমিক বিদ্যালয়, জেলা ও উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিস, টিটিসি, এইচএসটিটিআই এবং ন্যাশনাল অ্যাকাডেমি ফর অটিজম অ্যান্ড নিউরো ডেভেলপমেন্টাল ডিজঅ্যাবিলিটিজ (এনএএএনডি) অ্যাকাডেমিতে সরকারি ক্রয় কার্যক্রম ই-জিপি পদ্ধতিতে সম্পন্ন করার জন্য নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।
আদেশে আরও বলা হয়, সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠান প্রধান ও অফিস প্রধানকে নির্ধারিত ছক বা নির্দেশনা অনুযায়ী ডোমেইন আইডি, পিই অফিস তৈরি এবং সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের ইউজার আইডি খোলার বিষয়ে প্রয়োজনীয় কার্যক্রম গ্রহণ করতে হবে।