Ridge Bangla

মাহমুদুর রহমানের তুরস্কের নাগরিকত্ব নিয়ে প্রশ্ন তুললেন জুলকারনাইন সায়ের

তুরস্ক কর্তৃপক্ষের ইস্যুকৃত একটি পাসপোর্টের তথ্য তুলে ধরে একুশে পদকপ্রাপ্ত ও আমার দেশ পত্রিকার সম্পাদক মাহমুদুর রহমান তুরস্কের নাগরিকত্ব লাভ করেছেন- এমন তথ্য প্রকাশ করেছেন বিশিষ্ট অনুসন্ধানী সাংবাদিক জুলকারনাইন সায়ের খান (সামি)। তিনি তার ভেরিফায়েড ফেসবুক একাউন্টে এই তথ্য শেয়ার করেন আজ রবিবার (২৮ ডিসেম্বর)।
পোস্টে উল্লেখ করা হয়, কিছুদিন আগেও উক্ত পাসপোর্ট ব্যবহার করে মাহমুদুর রহমান বিদেশ ভ্রমণ করেছেন। এ প্রেক্ষিতে প্রশ্ন তোলা হয়, ঠিক কোন প্রক্রিয়ায় তিনি তুরস্কের নাগরিকত্ব পেয়েছেন? নাগরিকত্ব পেতে তিনি কত অর্থ ব্যয় করেছেন? যদি অর্থ ব্যয় না করে নাগরিকত্ব পেয়ে থাকেন, তবে তুরস্ক সরকার কোন বিশেষ বিবেচনায় তাকে নাগরিকত্ব প্রদান করেছে- এ বিষয়েও স্পষ্ট ব্যাখ্যা দাবি করা হয়েছে সেই স্ট্যাটাসে।
পোস্টে আরও বলা হয়, ২০১৮ সালে মালয়েশিয়া সফরের পর ২০২৪ সালে তুরস্কের নাগরিক হিসেবে দেশে ফেরার আগ পর্যন্ত তিনি বিভিন্ন দেশে অবস্থান করলেও কোথাও চাকরি বা অর্থনৈতিকভাবে লাভজনক কোনো কর্মকাণ্ডে যুক্ত ছিলেন- এমন তথ্য জানা যায় না। সে ক্ষেত্রে ওই সময়ের ব্যয়ভার তার জমানো অর্থ কিংবা পরিবার ও ঘনিষ্ঠজনদের সহায়তা থেকেই এসেছে বলে ধারণা করা হয়।
তবে জুলকারনাইন সায়ের তার পোস্টে প্রশ্ন তুলেছেন, ২০২০ সালে তুরস্কের নাগরিকত্ব পেতে যে পরিমাণ অর্থ বিনিয়োগ প্রয়োজন, তা কি বাংলাদেশ থেকে বৈধ চ্যানেলে পাঠানো হয়েছিল? তিনি উল্লেখ করেন, বাংলাদেশ থেকে পাসপোর্ট-সংক্রান্ত বিনিয়োগের জন্য কোটি কোটি টাকা বিদেশে পাঠানোর সুযোগ নেই। সেক্ষেত্রে অর্থ পাঠানোর উৎস ও পদ্ধতি নিয়েও প্রশ্ন তোলা হয়েছে।
পোস্টে আরও জিজ্ঞাসা করা হয়, কোনো বিশেষ সংস্থা বা গোষ্ঠী কি পুরস্কারস্বরূপ তাকে এই পাসপোর্ট প্রদান করেছে কিনা। একই সঙ্গে হুন্ডির মাধ্যমে অর্থ পাঠানো হয়েছে কি না- এমন প্রশ্নও উত্থাপন করা হয়। অন্যদের দুর্নীতির বিরুদ্ধে সরব থাকা একজন সাংবাদিক নিজে এ ধরনের অনিয়মে জড়িত কি না, সে বিষয়েও অনুসন্ধানের আহ্বান জানানো হয়েছে জুলকারনাইন সায়েরের সেই পোস্টে।
উল্লেখিত সব তথ্য ও প্রশ্ন জুলকারনাইন সায়ের খানের ভেরিফায়েড ফেসবুক পোস্টের সূত্রে প্রকাশিত হয়েছে। সংশ্লিষ্ট পক্ষের বক্তব্য পাওয়া গেলে তা পরবর্তীতে সংযুক্ত করা হবে।
This post was viewed: 25

আরো পড়ুন