বলিউডের জনপ্রিয় গায়িকা নেহা কক্করের নাম ব্যবহার করে মুম্বাইয়ে এক বড় ধরনের প্রতারণার ঘটনা ঘটেছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে একটি ভুয়া আন্তর্জাতিক ট্রেডিং প্ল্যাটফর্মের বিজ্ঞাপনে নেহাকে ব্র্যান্ড অ্যাম্বাসেডর দেখানো হয়। এই প্ল্যাটফর্মটিকে নির্ভরযোগ্য বিনিয়োগ মাধ্যম হিসেবে প্রচার করা হয়। বিজ্ঞাপন দেখে বিশ্বাস করেন আইনজীবী শবনম মুহাম্মদ হুসেন সায়েদ (৪৫)।
জুন থেকে অক্টোবর পর্যন্ত শবনম ধাপে ধাপে পাঁচ লাখ রুপিরও বেশি অর্থ প্ল্যাটফর্মের বিভিন্ন অ্যাকাউন্টে পাঠান। তিনি বিজয় ও জিমি ডিসুজা নামে দুই ব্যক্তির সঙ্গে টেলিগ্রাম, জুম ও ইমেইলের মাধ্যমে যোগাযোগ করেন। এরা শবনমকে মোটা অঙ্কের মুনাফার প্রতিশ্রুতি দেন।
তবে বিনিয়োগের পর কোনো রিটার্ন না পাওয়ায় শবনম বুঝতে পারেন যে, তিনি প্রতারণার শিকার হয়েছেন। এরপরই তিনি মুম্বাইয়ের ওরলি থানায় অভিযোগ দায়ের করেন। পুলিশ ভারতীয় দণ্ডবিধি এবং তথ্যপ্রযুক্তি আইনের আওতায় তদন্ত শুরু করেছে।
পুলিশ সূত্র জানায়, অভিযুক্তদের খুঁজে বের করতে তারা অনলাইন লেনদেন, কল রেকর্ড ও জুম মিটিংয়ের তথ্য যাচাই করছেন। এছাড়া সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও ডিজিটাল ট্রানজেকশন সংক্রান্ত সমস্ত তথ্য সংগ্রহের মাধ্যমে প্রতারণার চক্র চিহ্নিত করার চেষ্টা চলছে।
মুম্বাই পুলিশ সাধারণ জনগণকে সতর্ক করেছে, বিনিয়োগের আগে যাচাই-বাছাই করতে হবে এবং কোনো প্রলোভনজনক বিজ্ঞাপনে তাড়াহুড়া না করে বৈধ সূত্র যাচাই করা উচিত। নেহা কক্কর এ ঘটনায় সরাসরি যুক্ত নন, তবে তার নাম ব্যবহার করে প্রতারণা চালানো হয়েছে বলে পুলিশ জানিয়েছে।