Ridge Bangla

নির্বাচনি দায়িত্বে অনীহা দেখালে শাস্তির হুঁশিয়ারি সরকারের

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও সম্ভাব্য গণভোট অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষভাবে সম্পন্ন করতে নির্বাচন সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা-কর্মচারী ও শিক্ষকদের দায়িত্বশীল ভূমিকা পালনের আহ্বান জানিয়েছে সরকার। একই সঙ্গে নির্বাচনি দায়িত্ব পালনে অনীহা, অসহযোগিতা, শৈথিল্য কিংবা ভুল তথ্য উপস্থাপনের ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে কঠোর শৃঙ্খলামূলক ব্যবস্থা নেওয়ার হুঁশিয়ারিও দেওয়া হয়েছে।

সম্প্রতি মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে সব মন্ত্রণালয়ের সচিবদের কাছে পাঠানো এক চিঠিতে নির্বাচন কর্মকর্তা (বিশেষ বিধান) আইন, ১৯৯১ যথাযথভাবে অনুসরণের নির্দেশনা দেওয়া হয়। ওই পরিপত্রে নির্বাচনি দায়িত্বে নিয়োজিত কর্মকর্তা-কর্মচারী ও শিক্ষকদের আইনের বিধান সম্পর্কে সচেতন থাকার কথা উল্লেখ করা হয়। মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের নির্দেশনার ধারাবাহিকতায় শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগ তাদের আওতাধীন সব অধিদপ্তর, দপ্তর ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানকে একই নির্দেশনা কঠোরভাবে অনুসরণের জন্য পত্র পাঠিয়েছে। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তরের (মাউশি) সহকারী পরিচালক (প্রশাসন-১) মো. খালিদ হোসেন।

তিনি জানান, গত ৯ জানুয়ারি শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সহকারী সচিব মো. রাজিবুল আলম স্বাক্ষরিত নির্দেশনাপত্র তারা গ্রহণ করেছেন। এরপর মাঠপর্যায়ের সব অঞ্চল, জেলা ও উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা এবং সরকারি-বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রধানদের কাছে পরিপত্র পাঠানো হয়েছে। এর আগে গত ৩০ ডিসেম্বর মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে জারি করা পরিপত্রে বলা হয়, নির্বাচন কর্মকর্তাদের শৃঙ্খলা ও নিয়ন্ত্রণ নিশ্চিত করতে নির্বাচন কর্মকর্তা (বিশেষ বিধান) আইন, ১৯৯১-এর বিধান কার্যকর রয়েছে। আইনের ৪ ধারায় নির্বাচন কর্মকর্তার চাকরির শর্তাবলি এবং ৫ ধারায় শৃঙ্খলামূলক ব্যবস্থার বিধান স্পষ্টভাবে উল্লেখ আছে।

This post was viewed: 19

আরো পড়ুন