ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পর নতুন সরকার গঠন প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবে নবনির্বাচিত সংসদ সদস্যদের শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠান ঘিরে শুরু হয়েছে জোর প্রস্তুতি। তবে স্পিকার পদ শূন্য এবং ডেপুটি স্পিকার কারাবন্দি থাকায় এবার নতুন এমপিদের শপথ কে পড়াবেন- তা নিয়ে দেখা দিয়েছে সাংবিধানিক প্রশ্ন।
সরকারের একাধিক সূত্র জানিয়েছে, আগামী রোববার (১৫ ফেব্রুয়ারি) অথবা পরদিন সোমবার জাতীয় সংসদ ভবনে শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হতে পারে। সংবিধান অনুযায়ী রাষ্ট্রপতি মনোনীত কোনো ব্যক্তি এমপিদের শপথবাক্য পাঠ করাতে পারেন। সে ক্ষেত্রে সদ্য সাবেক প্রধান বিচারপতি ড. সৈয়দ রেফাত আহমেদের নাম আলোচনায় রয়েছে। তাকে রাষ্ট্রপতির প্রতিনিধি হিসেবে মনোনীত করার বিষয়টি বিবেচনায় নেওয়া হচ্ছে বলে জানা গেছে।
তবে বিকল্প হিসেবে শপথ পাঠ করাতে পারেন প্রধান নির্বাচন কমিশনারও। এ বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে রাষ্ট্রপতির দপ্তর থেকে। ইতোমধ্যে শপথ অনুষ্ঠানের সার্বিক প্রস্তুতি শুরু করেছে জাতীয় সংসদ সচিবালয়।
সংবিধানের ১৪৮ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, নির্বাচনের ফলাফল সরকারি গেজেটে প্রকাশের তিন দিনের মধ্যে নির্বাচিত সংসদ সদস্যদের শপথ গ্রহণ করতে হয়। এদিকে বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশন নবনির্বাচিত সদস্যদের গেজেট প্রকাশের প্রক্রিয়া সম্পন্ন করছে বলে জানিয়েছে।
শপথ গ্রহণের পর পার্লামেন্টারি বোর্ডের সভার মাধ্যমে সংসদ নেতা নির্বাচন করা হবে। এরপর রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন নতুন সরকার গঠনের আহ্বান জানাবেন এবং বঙ্গভবনে মন্ত্রিসভার সদস্যদের শপথ অনুষ্ঠিত হবে।