টানা প্রায় তিন সপ্তাহের প্রাণঘাতী সংঘর্ষের পর থাইল্যান্ড ও কম্বোডিয়ার সীমান্তে অবশেষে যুদ্ধবিরতি কার্যকর হয়েছে। শনিবার (২৭ ডিসেম্বর) স্থানীয় সময় দুপুর ১২টা থেকে এ যুদ্ধবিরতি শুরু হয় বলে জানিয়েছে দুই দেশের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়।
দুই দেশের মধ্যকার সংঘর্ষের কারণে সীমান্তবর্তী অঞ্চল থেকে প্রায় ১০ লাখ মানুষ ঘর ছাড়তে বাধ্য হয়েছিল। যৌথ বিবৃতিতে দুই দেশের প্রতিরক্ষামন্ত্রীরা বর্তমান ফ্রন্টলাইন স্থির রাখা, নতুন সেনা মোতায়েন বন্ধ এবং দ্রুত বেসামরিক নাগরিকদের নিজ নিজ বাড়িতে ফেরার সুযোগ দেওয়ার বিষয়ে একমত হন।
এ ছাড়া সীমান্ত এলাকায় পুঁতে রাখা স্থলমাইন অপসারণের বিষয়টিও চুক্তিতে অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। যুদ্ধবিরতি টানা ৭২ ঘণ্টা বজায় থাকলে থাইল্যান্ডে আটক ১৮ জন কম্বোডীয় সেনাকে মুক্তি দেওয়া হবে বলে জানানো হয়েছে। থাইল্যান্ডের প্রতিরক্ষামন্ত্রী নাথাফন নার্কফানিত বলেছেন, যুদ্ধবিরতি অপর পক্ষের আন্তরিকতার পরীক্ষা।
অন্যদিকে জাতিসংঘ ও ইউরোপীয় ইউনিয়ন এ উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়েছে। চীন ও যুক্তরাষ্ট্রের কূটনৈতিক তৎপরতায় এ সমঝোতা হলেও, দীর্ঘদিনের সীমান্ত বিরোধ ও উভয় দেশের জাতীয়তাবাদী আবেগ যুদ্ধবিরতির ভবিষ্যৎ নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি করছে।