আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ (আরপিও) এবং আচরণবিধিতে নতুন করে আরও একটি সংশোধনী আনতে যাচ্ছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। বুধবার (৩ ডিসেম্বর) ইসি সচিব আখতার আহমেদ বিষয়টি সংবাদ মাধ্যমকে নিশ্চিত করেন।
তিনি জানান, গণভোটের কারণে আরপিও-তে আবারও পরিবর্তন আনা প্রয়োজন হয়ে পড়েছে। এ সংশোধনী প্রস্তাব বৃহস্পতিবার উপদেষ্টা পরিষদের বৈঠকে উপস্থাপন করা হবে।
আরপিওর অনুচ্ছেদ ২৭-এ যেসব সংশোধনীর প্রস্তাব রয়েছে, সেগুলো হলো পোস্টাল ব্যালটে প্রতীকের পাশে ক্রস বা টিক চিহ্ন না থাকলে সেই ব্যালট অগ্রহণযোগ্য হবে; তা গণনা করা হবে না, আদালতের রায়ে প্রার্থী তালিকায় পরিবর্তন হলে সংশ্লিষ্ট আসনের জমাকৃত পোস্টাল ব্যালট গণনায় ধরা হবে না, ঘোষণাপত্রে ভোটারের স্বাক্ষর না থাকলে সেই পোস্টাল ব্যালট বাতিল বলে গণ্য হবে।
আচরণবিধিমালার বিভিন্ন দফা ও উপ-বিধিতে থাকা ভাষাগত এবং করণিক ভুলও সংশোধনের তালিকায় রয়েছে। দফা ৪-এর উপ-বিধি (৩), বিধি ৬-এর উপ-বিধি (ক), (খ), (গ), (ঘ), বিধি ৯-এর উপ-বিধি (গ) এবং বিধি ২৬-এর উপ-বিধি (৩)- এসব জায়গায় সংশোধন আনা হবে বলে প্রস্তাব করা হয়েছে।
এদিকে, বিধিমালার ১৪(খ)-তে নতুন করে প্রস্তাব করা হয়েছে যে সংসদীয় আসনের প্রতিটি ইউনিয়ন, পৌরসভা বা মেট্রোপলিটন এলাকার প্রতিটি ওয়ার্ডে একটি করে অথবা নির্বাচনী এলাকায় সর্বোচ্চ ২০টি বিলবোর্ড ব্যবহার করা যাবে। ফলে প্রতিটি ওয়ার্ডে একটিই বিলবোর্ডে প্রচারের সুযোগ তৈরি হবে।
এছাড়া, বিধি ১৭-এর উপ-বিধি (১) সংশোধনের মাধ্যমে নির্বাচনী প্রচারে মাইক ব্যবহারের সংখ্যা বাড়ানোর প্রস্তাবও রাখা হয়েছে।