চট্টগ্রাম বন্দরের বর্ধিত নতুন ট্যারিফ এক মাসের জন্য স্থগিত করেছেন হাইকোর্ট। বন্দরের বাড়তি মাশুলের বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে বাংলাদেশ মেরিটাইম ল সোসাইটির পক্ষে ক্যাপ্টেন আব্দুল কাদের মহিউদ্দিন দাখিল করা এক আবেদনের প্রেক্ষিতে আদালত এ আদেশ দেন।
আবেদনে বলা হয়, বন্দর কর্তৃপক্ষ আইন অনুযায়ী তিন মাসের নোটিশ না দিয়েই ৫২টি সেবা খাতে গড়ে ৪১ শতাংশ মাশুল বৃদ্ধি করেছে, যা বেআইনি ও দেশের বাণিজ্য স্বার্থবিরোধী। আদালত আবেদনটি আমলে নিয়ে নতুন ট্যারিফ এক মাসের জন্য স্থগিত রাখার নির্দেশ দেন।
চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষ গত ১৪ সেপ্টেম্বর মাশুল বাড়ানোর প্রজ্ঞাপন জারি করেছিল। তবে ব্যবসায়ীদের তীব্র সমালোচনার মুখে তা এক মাস স্থগিত রেখে গত ১৫ অক্টোবর থেকে কার্যকর করা হয়। নতুন ট্যারিফ কার্যকরের পর থেকেই বন্দর ব্যবহারকারী সংগঠনগুলো ধারাবাহিকভাবে আন্দোলন, ধর্মঘট ও বিক্ষোভ করে আসছে।
বন্দর ব্যবহারকারীদের অভিযোগ, হঠাৎ এত বড় অঙ্কে মাশুল বাড়ানোয় আমদানি-রপ্তানির খরচ বেড়ে গেছে, যা দেশের বাণিজ্য প্রতিযোগিতা হ্রাস করবে। তারা যৌক্তিক মাশুল নির্ধারণে সবার সঙ্গে আলোচনা করার দাবি জানান।
এই প্রেক্ষাপটে সোমবার বন্দর ভবনে বন্দর ব্যবহারকারী সংগঠনগুলোর সঙ্গে বৈঠক করবেন অন্তর্বর্তী সরকারের নৌ-পরিবহন উপদেষ্টা। বৈঠকে চলমান সংকট নিরসন ও যৌক্তিক ট্যারিফ কাঠামো নির্ধারণে আলোচনা হবে বলে জানা গেছে।