Ridge Bangla

কে হচ্ছেন পরবর্তী ক্রীড়ামন্ত্রী?

২০০৮ সালের পর উৎসবমুখর পরিবেশে শেষ হলো ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন। নির্বাচনের অনেক আগে থেকেই সাবেক ফুটবলার আমিনুল হক ছিলেন আলোচনার শীর্ষে। ক্রীড়া ক্ষেত্রে তার বিশেষ অবদানের জন্য অনেকে ভেবেই নিয়েছিলেন, বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) যদি ক্ষমতায় আসে এবং আমিনুল ইসলাম যদি নির্বাচনে জয়লাভ করেন, তাহলে সরকারের পরবর্তী ক্রীড়ামন্ত্রী তিনিই হবেন। কিন্তু এবারের নির্বাচনে আমিনুল হক জয় লাভ করতে পারেননি।

জাতীয় দলের সাবেক ফুটবলার আমিনুল হক। তিনি ঢাকা-১৬ আসন থেকে এবারের ত্রয়োদশ জাতীয় নির্বাচনে অংশ নেন। নির্বাচনে তিনি জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী অবসরপ্রাপ্ত কর্নেল মো. আব্দুল বাতেনের কাছে পরাজিত হয়েছেন।

দেশের বেশ কয়েকটি বিভাগের মধ্যে গুরুত্বপূর্ণ একটি বিভাগ হলো ক্রীড়াঙ্গন। ক্রীড়াপ্রেমী দেশ হিসেবে বাংলাদেশের মানুষের খ্যাতির কমতি নেই। তাই ক্রীড়ামন্ত্রণালয়ের ভিন্ন রকম একটি গুরুত্ব রয়েছে। সদ্য শেষ হওয়া জাতীয় নির্বাচনে নিরঙ্কুশ বিজয়ী বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপি। ২৯৭টি আসনের মধ্যে তাদের জয় ২১২টি আসনে।

ক্রীড়ামন্ত্রণালয়ের দায়িত্বের জন্য বিএনপির জয়ী ২১২টি আসনের মধ্যে বেশ কয়েকটি নাম আলোচিত। তাদের মধ্যে সরাসরি মাঠের খেলায় যুক্ত ছিলেন দুজন। একজন হলেন চাঁদপুর-১ আসন থেকে জয়ী সাবেক ভলিবল খেলোয়াড় এহসানুল হক মিলন। অন্যজন হলেন সাবেক ফুটবলার ও বর্ষীয়ান রাজনীতিবিদ মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমেদ। তবে এই দুজনই অন্য মন্ত্রণালয়ের জন্য আলোচনায় আছেন।

বিএনপি হয়তো ক্রীড়ামন্ত্রণালয়ের জন্য টেকনোক্রেট মন্ত্রী খুঁজবে। তাই নির্বাচনে হেরে গেলেও টেকনোক্রেট হিসেবে সংসদসদস্য হয়ে ক্রীড়ামন্ত্রী হতে পারেন আমিনুল হক। কারণ, বড় ব্যবধানে জিতে সরকার গঠন করতে যাচ্ছে তার দল বিএনপি।

অপরদিকে ক্রীড়ামন্ত্রণালয়ের দায়িত্বের জন্য আলোচনায় আছে আরও দুটি হেভিওয়েট নাম ইশরাক হোসেন ও আলী আসগর লবি। খুলনা-৫ আসনে জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ারকে পরাজিত করে এবারের নির্বাচনে জয়ী হয়েছেন লবি। এর আগে ২০০১-২০০৬ সালে বিএনপি সরকারের সময় সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়ে টানা পাঁচ বছর বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের সভাপতি পদে ছিলেন। ব্যক্তিগতভাবে তার দক্ষতা এবং সততা নিয়ে কোনো বিতর্ক ওঠেনি। ক্রিকেট প্রশাসনে অত্যন্ত পরিচিত মুখ ছিলেন তিনি।

পাশাপাশি ২০০২ থেকে ২০০৪ সাল পর্যন্ত দুই বছর এশিয়ান ক্রিকেট কাউন্সিলের সভাপতির দায়িত্বও পালন করেন তিনি। ক্রীড়াঙ্গনের সঙ্গে তার এই দীর্ঘ ও বহুমাত্রিক সম্পৃক্ততাই তাকে যুব ও ক্রীড়ামন্ত্রীর দৌড়ে এগিয়ে রাখছে।

অন্যদিকে বিএনপি নেতা ইশরাক হোসেনের নামও ঘুরে ফিরে আসছে আলোচনায়। বিএনপির সাবেক অন্যতম শীর্ষনেতা, ঢাকার সাবেক মেয়র সাদেক হোসেন খোকার ছেলে তিনি। এই নেতা বিভিন্ন রাজনৈতিক আন্দোলনে সক্রিয় থাকার পাশাপাশি ক্রীড়াক্ষেত্রেও নানা ধরনের কাজ করে যাচ্ছেন।

This post was viewed: 4

আরো পড়ুন